বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০১৫

জি আর ই এর সব তথ্য একসাথে

জি আর ই কি?


“গ্র্যাজুয়েট রেকর্ড এক্সামিনেশন
(Graduate Record Examination)” –
কে সংক্ষেপে বলা হয় “জি আর ই
(GRE)”। এটি মূলতঃ এডুকেশনাল
টেস্টিং সার্ভিস (ETS) –এর
একটি রেজিস্টার্ড এডুকেশনাল
ব্র্যান্ড, তাই একে লেখা হয় GRE®।
আমেরিকার
ভালো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গ্র্যাজুয়েট
প্রোগ্রামে (ব্যাচেলর ডিগ্রির পর
এমএস/ পিএইচডি প্রোগ্রাম) ভর্তির
জন্য জি আর ই অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়।
সোজা কথা GRE একটি সম্পূর্ণ
কম্পিউটারাইজড পরীক্ষা যা অনেক
দেশের অনেক
ইউনিভার্সিটিতে (বিশেষ
করে উত্তর আমেরিকাতে) গ্র্যাজুয়েট
স্টাডি (মাস্টার্স বা পিএইচডি)
করার জন্য লাগে। প্রধানত science & arts
ব্যকগ্রাউন্ড এর স্টুডেন্টদের
এটা লাগে। Commerce ব্যকগ্রাউন্ডের
জন্য লাগে GMAT; তবে অনেক
বিজনেস স্কুল আজকাল GRE একসেপ্ট
করছে।
Why GRE is important?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনেক ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির
জন্য শুধুমাত্র সিজিপিএ আর IELTS/
TOEFL স্কোর হলেই চলে। কিন্তু
আমেরিকা, কানাডার
ইউনিভার্সিটিগুলো সহ আরো বেশ
কিছু দেশের ইউনিভার্সিটি একটু
শেয়ানা। তারা জানে, শুধু
সিজিপিএ কারো যোগ্যতার
মাপকাঠি হতে পারেনা।
ওরা জানে, একেক ইউনিভার্সিটির
সিজিপিএ নিয়ে উদারতা একেক
রকম। যেমন, বাংলাদেশে পাবলিক
ভার্সিটিতে যেখানে 3.5
তুলতে কৌষ্ঠকাঠিন্য হয়ে যায়,
সেখানে প্রাইভেট
ভার্সিটিতে 3.90 বেশ নরম্যাল
রেজাল্ট। যাদের সিজিপিএ কম,
তাদের জন্য এটা বেশ সুখবর। নিজের
যোগ্যতা প্রমাণের
আরো একটা সুযোগ আছে আপনাদের
জন্য।
জি আর ই (GRE) –এর অনন্যতা
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির
সাথে জি আর ই, জিম্যাট এর কিছু
পার্থক্য আছেঃ
প্রচলিত পরীক্ষা হয় কাগজ কলমে, আর
জি আর ই, জিম্যাট পরীক্ষা হয়
কম্পিউটারে।
আপনি একবারে মাত্র একটি প্রশ্ন
দেখতে পাবেন। আগের জি আর ই
(২০১১ এর অগাস্টের আগে) ছিল
সিএটি বা Computer Adaptive Test (CAT)
ধরণের, যার অর্থ হলো কম্পিউটার
আপনার উত্তরের উপর নির্ধারণ
করবে যে পরবর্তীতে আপনাকে কেমন
প্রশ্ন দেবে। আপনি যদি কোন প্রশ্নের
উত্তর ভুল করেন তাহলে পরেরটা সহজ
এবং কোনটা সঠিক হলে পরেরটা একটু
কঠিন হতো। কিন্তু বর্তমান জি আর ই
তে CAT ব্যবহৃত হয় না।
বরং এখানে যা হয় তাকে বলে MST,
Multi-Stage Testing ।
বর্তমানে দুটি ভার্বাল ও দুটি ম্যাথ
সেকশন থাকে। যদি প্রথম ভার্বাল
অংশটায় আপনার পারফর্ম্যান্স
ভালো হয় তাহলে পরেরটা কঠিন
হবে, এবং বিপরীতক্রম। একই কথা সত্য
ম্যাথ অংশের জন্যও।
সনাতন পরীক্ষায়
আপনি জানতে পারবেন যে কোন
প্রশ্নের জন্য কত মার্কস। কিন্তু জি আর ই
বা জিম্যাটে ঠিক
এভাবে জানা যায় না। আপনার
সামগ্রিক পারফর্ম্যান্স
বিবেচনা করে কম্পিউটার
একটি স্কোর দাঁড় করায়, যা নির্দিষ্ট
সূত্র মেনে চলে।
পরীক্ষার হলে কক্ষপরিদর্শক
বা ইনভিজিলেটররা থাকেন। জি আর
ই পরীক্ষার হলে একটি সাইবার
ক্যাফের
মতো রুমে সবাইকে আলাদা আলাদা কম্পিউটারের
সামনে বসিয়ে দেওয়া হয়,
এবং ইনভিজিলেটররা বাইরের
রুমে থাকেন। প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর
কর্মকাণ্ড তারা ক্লোস সার্কিট
ক্যামেরায় দেখতে পারেন।
প্রচলিত পরীক্ষায় ভাবমূলক
বা সাবজেকটিভ ধরণের প্রশ্ন
থাকতে পারে, যার উত্তর এক এক রকম
হলে মার্কস ও এক এক রকম হতে পারে।
জি আর ই বা জিম্যাটের
অ্যানালাইটিক্যাল রাইটিং অংশ
ছাড়া ম্যাথ ও ভার্বাল অংশের সব
প্রশ্নই অবজেকটিভ ধরণের হবে, অর্থাৎ
এক বা একাধিক উত্তর থাকবে কিন্তু
ঠিক ওগুলোই সঠিক উত্তর। এক এক জন
একেক রকম উত্তর দিয়ে সঠিক মার্কস
পেতে পারবে না
বিষয় বিত্তিক জি আর ই ও সাধারণ
জি আর ই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
সাধারণত নিম্ন লিখিত
আটটি বিষয়ের উপর বিষয়ভিত্তিক
জি আর ই টেস্ট দেয়া যায়ঃ
১। প্রাণরসায়ন (Biochemistry), কোষ
এবং আণবিক জীববিজ্ঞান (Cell and
Molecular Biology)
২। জীববিজ্ঞান (Biology)
৩। রসায়ন (Chemistry)
৪। কম্পিউটার সাইন্স
৫। ইংরেজি সাহিত্য (Literature in
English)
৬। গণিত (Mathematics)
৭। পদার্থ বিজ্ঞান (Physics)
৮। মনোবিজ্ঞান (Psychology)
যে কেউ চাইলে এর
যেকোনো বিষয়ের উপর বিষয়
ভিত্তিক জি আর ই টেস্ট
দিতে পারবে। আর সাধারণ জি আর ই
–এর অন্তর্ভূক্ত বিষয়গুলো হল, ভার্বাল
রিজোনিং (Verbal Reasoning),
কোয়ান্টিটেটিভ
রিজোনিং (Quantitative Reasoning)
এবং এনালাইটিক্যাল
রাইটিং স্কিলস (Analytical Writing
Skills)। সাধারণ জি আর ই টেস্টের জন্য
নির্ধারিত এই বিষয়গুলো সকলের জন্য
একই রকমের হবেঃ
ভার্বাল রিজোনিং (Verbal
Reasoning):
▬▬▬▬▬▬▬▬
এই টেস্টের
মাধ্যমে দেখা হবে পরীক্ষার্থীর
ইংরেজী শব্দ ও বাক্যের উপর
দক্ষতা কত। ইংরেজীতে আর্টিকেল
লেখা থাকবে, সেই আর্টিকেলের
বিষয়বস্তুগুলোকে (বাক্য) বিভিন্ন
ভাগে ভাগ করতে হবে, এরপর
প্রতিটি ভাগকে বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন
করতে হবে (শব্দগুলোর
সাথে বিষয়বস্তুর সম্পর্ক বের
করতে হবে)।
বিস্তারিতঃ
জিআরই-র ভারবাল কঠিন। এতে কোন
সন্দেহ নেই। জিআরই-র ভারবাল স্কোর
ডিপেন্ড
করে আপনি ভোকাবুলারিতে কিরকম
সেটার উপর। ভাগ্যের ব্যাপার
হচ্ছে সায়েন্সের
প্রোগ্রামগুলোতে ভারবাল
স্কোরটা খুব বেশি গুরুত্ব বহন করেনা।
মোটামোটি ভারবালে ৮০০-র
মধ্যে ৫০০-৫৫০ পেলেই ভাল
প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া যায়।
তবে হিউমেনিটিজ বা আর্টেসের
সাবজেক্টগুলো্তে ভারবাল গুরুত্বপূর্ণ।
তাই তাদের অন্তত ৬০০+ পাওয়া উচিৎ
স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য। যাদের
ইংলিশ স্কিলস ভাল
না তারা কিভাবে ভাল করবেন
সেটা জিমেটের পোস্টে বলেছি।
তাই ইংলিশ ভাল করার জন্য ৫/৬ মাস
কষ্ট করুন যেভাবে বলেছি সেভাবেই।
ভারবালে মোট ৩০টা প্রশ্ন থাকে,
সময় থাকে ৩০ মিনিট। উল্লেখ্য ম্যাথ
এবং ভারবালের মধ্যে কোন ব্রেক
নেই (জিমেটে আছে)। ভারবালে ৪
ধরণের প্রশ্ন থাকে। সেন্টেন্স
কম্পলিশান, এন্টনিমস, এনালজি,
রিডিং কম্পরিহেনশান। চারটার
মধ্যে তিনটাই সরাসরি আপনার
ভোকাবুলারী স্কিলসের উপর
ডিপেন্ড করে। তাই
ভোকাবুলারীটা জিআরই-র
ভারবালের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সেন্টেন্স কম্প্লেশান
হচ্ছে আমরা ছোটকাল
থেকে যে শুণ্যস্থান পূরণ করতাম সেই
একই জিনিস, শুধু ইংরেজীতে।
তবে বেশিরভাগ প্রশ্নে দুটা শুণ্যস্থান
থাকে। এনটনিমস আর
এনালজি পুরোপুরি ভোকাবুলারির
উপর ডিপেন্ড করে।
কোয়ান্টিটেটিভ
রিজোনিং (Quantitative Reasoning):
▬▬▬▬▬▬▬▬
এই অংশকে ম্যাথ সেকশনও বলা হয়।এই
টেস্টের
মাধ্যমে দেখা হবে পরীক্ষার্থীর
গাণিতিক মৌলিক
ধারনা এবং পরিমাণগত বৈশিষ্ট্যের
মাধ্যমে বীজগণিত, জ্যামিতি ও তথ্য
বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা।
বিস্তারিতঃ
আপনার পরীক্ষার ২য়
সেকশানটা ম্যাথ বা ভারবাল
যেকোনটাই হতে পারে। ম্যাথ স্কোর
টোটাল ৮০০। বাংলাদেশের
ছেলেদের জন্য ৮০০ তে ৮০০
পাওয়া খুবই কমন। এখানে জিমেটের
মতই হাইস্কুল লেভেলের এরিথমেটিক,
এলজেব্রা, জিওমেট্রি, ওয়ার্ড
প্রবলেম এসব আসে। মোট ২৮টা প্রশ্নের
৪৫ মিনিট সময় থাকবে। তিন ধরণের
প্রশ্ন থাকে। প্রবলেম সলভিং,
কোয়ান্টিটেটিভ কমপেরিসন আর
ডাটা ইন্টারপ্রিটেশান। প্রবলেম
সলভিং জিমেটের মতই, আরেকটু হয়ত
ইজি। কোয়ান্টিটেটিভ
কমপেরিসনে দুইটা এক্সপ্রেশান
থাকবে, যেগুলোর মধ্যে কোনটা বড়,
কোনটা ছোট বা সমান এসব বের
করতে হয়। কয়েক সপ্তাহ প্র্যাকটিস
করলে এটা সবচেয়ে সহজ হয়ে যায়।
যারা আন্ডারগ্র্যাডে স্ট্যটিসটিকস
নিয়েছেন তাদের জন্য
ডাটা ইন্টারপ্রেটেশন ডালভাত।
না নিলেও ক্ষতি নেই।
এখানে সাধারণত পাইচার্ট, বার-
ডায়াগ্রাম এসবের উপর
ভিত্তি করে কিছু প্রশ্ন থাকে।
বলা যায় এটা সবচেয়ে সহজ পার্ট
যদি আপনি নার্ভাস না হয়ে যান।
কম্পিউটার এডাপ্টিভ হওয়াতেপ্রথম
৮/১০ টা প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই
সেগুলোর জন্য একটু বেশি সময়
দিতে হবে।
ইদানিংকালে এভারেজ,
মিডিয়ান, স্ট্যান্ডারড
ডিভিয়েশান, প্রবাবিলিটি এসবের
উপর প্রশ্ন আসতেছে। এদিকে একটু নজর
দিতে হবে। ম্যাথ কিভাবে পড়বেন
সেটা প্রেপ সেকশান বলব।
এনালাইটিক্যাল রাইটিং স্কিলস
(Analytical Writing Skills):
▬▬▬▬▬▬▬▬
এই টেস্টের
মাধ্যমে দেখা হবে পরীক্ষার্থীর
যে কোনো ধরনের জটিল
সমস্যা স্পষ্টভাবে ও সকল
বিষয়াদি বিবেচনাধীন
রেখে সমাধান করা। এই সমাধান
পরিষ্কার ইংরেজীতে লিখতেও
হবে।
বিস্তারিতঃ
জিমেট আর জিআরই রচনা একই রকম হয়।
দুটাতেই
আপনাকে দুটা রচনা লিখতে হবে।
একটা এনালিসিস অফ ইস্যু
আরেকটা এনালিসিস অফ আর্গুমেন্ট।
তবে জিমেটে যেখানে দুটার জন্যই
৩০ মিনিট করে সময়
থাকে সেখানে জিআরই তে ইস্যুর
জন্য ৪৫ মিনিট আর আর্গুমেন্ট জন্য ৩০
মিনিট সময় থাকে। জিআরই-র
রচনাগুলো আপনি যদি সায়েন্স
পড়তে চান তাহলে খুব গুরুত্বপূর্ণ না,
তবে আর্টস, হিউমেনিটিজ
পড়তে চাইলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মোটামুটি ৪-এর উপরে পেলেই
চলবে ৬-এর মধ্যে।
জিমেটে যেভাবে টেম্প্লেট
এপ্রোচের কথা বলেছিলাম জিআরই
তেই একইভাবে টেম্প্লেট এপ্রোচ
ব্যবহার করে ভাল করা যাবে। তার
জন্য সাইফুর'স জিমেট/জিআরই Essay
বইটা দেখুন। পরীক্ষা প্রথমে শুরু হয়
রচনা দিয়ে। রচনাগুলো লেখার পর ১০
মিনিটের ব্রেক আছে।
বাংলাদেশে জি আর ই
পরীক্ষাকেন্দ্র
▬▬▬▬▬▬▬▬
আমেরিকান অ্যালামনাই
এ্যাসোসিয়েশন
বাসা নং- ১৪৫, রোড নং- ১৩বি, ব্লক-
ই,
বনানী, ঢাকা-১২১৩।
টেলিফোনঃ (৮৮০-২) ৯৮৮১৬৬৯
ফ্যাক্সঃ (৮৮০-২) ৯৮৮১৬৬৯
ই-মেইলঃ info@aaa.net.bd
সপ্তাহে তিন দিন এই পরীক্ষা কেন্দ্র
বন্ধ থাকেঃ শুক্রবার, শনিবার ও
রবিবার। বাকি চার দিন
এখানে পরীক্ষা গ্রহন করা হয়।
দুইটি সেশনে পরীক্ষা নেয়া হয়ঃ সকাল
৯.০০ মিনিটে এবং দুপুর ১.৩০
মিনিটে।
নোটঃ দিনে দুইবার
করে সপ্তাহে চার দিন
পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থাকলেও
একজন পরীক্ষার্থী মাসে শুধু একবার
এবং বছরে মাত্র পাঁচবার
পরীক্ষা দিতে পারবেন। এর
বেশি তাকে পরীক্ষা দিতে দেয়ার
সুযোগ দেয়া হয় না।
জি আর ই
করে আমেরিকা যেতে খরচের
বিস্তারিতঃ (আনুমানিক)
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
1) জি আর ই রেজিস্ট্রেশন ফি = $ ১৮৫
(প্রায় ১৪,৮০০ টাকা)
2) টোয়েফেল রেজিস্ট্রেশন ফি = $
১৫০ (প্রায় ১২,০০০ টাকা)
3) বিশ্ববিদ্যালয়ে (চারটিতে)
আবেদন ফি = $ ২৫ X ৪ = $ ১০০ (প্রায়
৮,০০০ টাকা)
4) আবেদন পাঠানোর খরচ
(চারটি ঠিকানায়) = ২,০০০ টাকা X ৪
= ৮,০০০ টাকা
5) সার্ভিস ফি = ১৬,০০০ টাকা
6) ভিসা ইন্টারভিউ ফি = ৯,০০০
টাকা
7) প্লেন ফেয়ার = ৭০,০০০ টাকা
8) মোট = ১,৩৭,৮০০ টাকা
এখানে যে খরচের চিত্র
দেখানো হলো, বাস্ততে তার
সাথে কিছু পার্থক্য হতে পারে।
যেমন, প্লেনের টিকেটের দাম
নির্ভর করে কোন সময়ে টিকেট
কাটা হচ্ছে এবং কোন
এয়ারলাইন্সে কাটা হচ্ছে।
ভিসা ইন্টারভিউ ফি বর্তমানে কিছু
বাড়ানো হয়েছে। আর সব খরচ
মোটামুটি একই রকম।
জি আর ই পেয়িং সিস্টেম (চেকের
মাধ্যমে)
▬▬▬▬▬▬▬▬
জি আর ই সেন্টারের ঢাকা অফিস
থেকে চেক সংগ্রহ করে কুরিয়ারের
মাধ্যমে আপনার গন্তব্যস্থল-এ
পাঠানো যায় অথবা অতিরিক্ত
টাকার বিনিময়ে ইউএস অবস্থিত
জি আর ই সেন্টারগুলোর
মাধ্যমে নির্দিষ্ট ঠিকানায়
পেমেন্ট পোঁছিয়ে দেওয়ার
ব্যবস্থা রয়েছে।
যদি ইউএস অফিস মাধ্যমে পেমেন্ট
পৌঁছানোর দুটি উপায় রয়েছে-
চেক সার্ভিসের ক্ষেত্রে ২০০০
টাকা অতিরিক্ত লাগবে।
উদাহরনস্বরূপ, $৭৫ ডলারের চেকের
জন্য ৭৫০০ টাকার সাথে আরো ২০০০
টাকার লাগবে।
ইউএসএ অফিসে অনুরোধ অনুসারে $১২
ডলার অতিরিক্ত পে-এর
মাধ্যমে আপনার কাঙ্ক্ষিত
বিশ্ববিদ্যালয়ে চেক
পাঠানো যাবে।
নোট: টেক্সাস অফিস থেকে ‘ব্যাংক
অব আমেরিকা’ ইস্যু করা হয়।
জি আর ই পেয়িং সিস্টেম
(টেলিফোনের মাধ্যমে)
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
উল্লে্খ্য যে, ফোনের
মাধ্যমে ক্রেডিক কার্ড ইনফরমেশন
সবসময় প্রতারণার ঝুঁকি থাকে।
আপনাকে নিশ্চিত
করতে হবে যে আপনি টেলিফোন
ব্যতিত অন্য কোন মাধ্যমে পেমেন্ট
করেননি। বাংলাদেশের একমাত্র
জি আর ই সেন্টার এ সার্ভিস
দিয়ে থাকে।
ফোনের মাধ্যমে জি আর ই এএসআর
অর্ডার প্লেসিং-এর জন্য
এই সেবা পেতে লাগবে
টোফেল একাউন্ট ইউজারনেম
একাউন্ট পাসওর্য়াড
আপনি যে তারিখের পরীক্ষার
স্কোর পেতে চান সেই তারিখ
(টোফেল ছাড়া অন্যদের
ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)
এরপর…
জি আর ই সেন্টার আপনার টোফেল
কপির জন্য অনলাইনে পেমেন্ট করবে।
ইটিএস সাধারণত ১৪ দিনের ভিতর
টোফেল পেপার পাঠিয়ে থাকে।
অর্ডারের দিন থেকে ৫ দিনের
ভিতর এবং সর্বোচ্চ ১ মাসের অর্ডার
এবং রিসিপ্ট কার্যক্রম সম্পাদন
করা হয়।
ইউএস অফিসে স্কোর কার্ড
পোঁছানোর পর ৩ দিনের ভিতর
ফেডেক্স কুরিয়ারের
মাধ্যমে ঢাকায় পাঠনো হয়।
ঢাকা অফিস থেকে পেপার
কপি সংগ্রহ করতে হবে।
নোট: জি আর ই স্কোর পেপার ইউএসএ
অফিস থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।
নিন্মলিখিত তথ্যগুলোর জন্য ইটিএস
হেড কোয়াটার থেকে কল করা হয়-
জি আর ই রেজিস্ট্রেশন অনলাইন
কনফার্মেশন অথবা রেজিস্ট্রেশন
নাম্বার
নামের প্রথম, মধ্যম এবং শেষ অংশের
জন্য
জন্ম তারিখ
লিঙ্গ
ই-মেইল
ঠিকানা লাইন-১
ঠিকানা লাইন-২
সিটি/শহর
জিপ/পোষ্টাল কোড
ফোন নং
অতিরিক্ত ফোন নং
জি আর ই-এর তারিখ
ভার্বাল, কোয়ানটিটেটিভ
এবং রাইটিং সেকশনের স্কোর
ই-মেইল আইডি
মাই জি আর ই ইউজার নেম
মাই জি আর ই পাসওয়ার্ড
একাউন্ট খুলতে হবে
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
http://www.gre.org তে গিয়ে। এটার
জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে খরচ
পড়বে 185 ডলার। Credit Card এর
মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হয়।
একবার পরীক্ষা দিলে 4
টা ভার্সিটিতে ফ্রি স্কোর
পাঠানো যায়,
পরবর্তী প্রতিটি ভার্সিটিতে পাঠাতে লাগে 25
ডলার করে; স্কোর valid থাকে 5 বছর
পর্যন্ত। এটাও ক্রেডিট কার্ডের
মাধ্যমেই করতে হয়।
GRE বছরে পাঁচবার দেয়া যায়, কিন্তু
একবার দেয়ার পরবর্তী 30 দিনের
মধ্যে আর দেয়া যায়না।
Exam centre – American Alumni Association
(AAA), House# 145, Road 13B, Block # E,
Banani, Dhaka.
।
জি আর ই পরীক্ষা পদ্বতিঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
• Reading comprehension from short,
medium or long passages (জি আর ই’র
মোট ভার্বাল প্রশ্নের অর্ধেকই
হবে এরকম প্রশ্ন)
• Text Completion বা এক কথায় শূন্যস্থান
পূরণ। তবে বাক্যের মধ্যে একটি,
দুইটি এমনকি তিনটি পর্যন্ত শূন্যস্থান
থাকতে পারে।
• Sentence Equivalence: একটা বাক্যের
মধ্যে একটি শূন্যস্থান থাকবে,
নীচে ছয়টি শব্দ অপশন
দেওয়া থাকবে যার মধ্যে যে কোন
দুটি হবে সঠিক এবং চারটি ভুল।
৩। ম্যাথ অংশে যা যা থাকবেঃ
• Quantitative comparison.
পাশাপাশি দুটি কলাম (এ এবং বি)
দিয়ে বলবে কোনটা বড় বের কর।
• Discrete mathematical problems:
সরাসরি অংক কষে তার উত্তর বের
করতে হবে।
• Data Interpretation: গ্রাফের
মধ্যে ডাটা দিয়ে সেগুলো থেকে সংখ্যায়
উত্তর বের করতে হবে।
• Numerical Input: অংক করে উত্তর
একটি বক্সের মধ্যে বসাতে হয়। অর্থাৎ,
কোন অপশন দেওয়া থাকবে না।
জি আর ই প্রস্তুতির জন্য বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রয়োজনীয় বইগুলোকে চার
ভাগে ভাগ করা হয়। গুরুত্ব
অনুসারে এগুলো এরকম
(প্রথমটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
A) ইংরেজী শব্দ ভাণ্ডার
বা ভোকাবুলারি (vocabulary) সমৃদ্ধ
করার বই
B) জি আর ই’র verbal অংশের জন্য বই
C) জি আর ই’র Quantitative বা math
অংশের জন্য বই
D) জি আর ই’র Analytical writing অংশের
জন্য বই
A) Vocabulary সমৃদ্ধ করার বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
বাজারে অসংখ্য বই পাওয়া যায়
ওয়ার্ডলিস্ট বা ভোকাবুলারি সমৃদ্ধ
করার জন্য। বাংলাদেশের
সবচেয়ে বেশি বিক্রিত
ভোকাবুলারি’র বইয়ের
দুটি হলো সাইফুর’স ভোকাবুলারি বই
এবং প্রিন্সটন রিভিউ
থেকে প্রকাশিত ওয়ার্ডমাস্টার বই।
সাইফুরস এর বইটা একদম নবীনদের জন্য
ভালো, যাদের হয়ত ইংরেজী শব্দ
বানান করে করে পড়তে হয়। কিন্তু
যারা GRE বা SAT’র মতো পরীক্ষায়
বসতে চান, তাদের একটু সমৃদ্ধতর বইয়ের
দিকে যাওয়াই উচিত।
১. শব্দগুলোকে গ্রুপ করে পড়ার জন্য
সংগ্রহ করতে পারেন জি আর ই
সেন্টার থেকে প্রকাশিত ওয়ার্ড
পোস্টার (1B) , এবং ফরহাদ হোসেন
মাসুম রচিত Vocabuilder বই (1A)। শব্দ
মনে রাখার সবচেয়ে বৈজ্ঞানিক
উপায় হলো শব্দের গঠন
ভেঙ্গে ভেঙ্গে তার মূল বা রুট
দিয়ে মনে রাখা, এবং সমজাতীয়
শব্দগুলো এক সাথে পড়া। এই বই
দুইটিতে শব্দের মূল (root)
নিয়ে আলোচনা না করলেও
সমজাতীয় ও পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত
শব্দগুলোকে এক
সাথে আলোচনা করা হয়েছে বলে অল্প
সময়ে অনেকগুলো শব্দ মনে রাখা যায়।
২. শব্দের উৎস ও suffix (শব্দের
শেষে বসা অংশ), prefix (শব্দের
শুরুতে বসা অংশ)
ইত্যাদি দিয়ে বোঝা যায় একটি শব্দ
কিভাবে গড়ে ওঠে এবং পরিবর্তিত
হয়। এসব
নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে Word
power made easy (by Norman Lewis)
বইটিতে (1C), যা ভোকাবুলারির দখল
বাড়ানোর জন্য পৃথিবীর
সবচেয়ে জনপ্রিয় বইগুলোর একটি।
বইটির শেষে কিন্তু বিশেষ একটা শব্দ
তালিকা দেওয়া আছে, যা জি আর ই
শিক্ষার্থীদের অবশ্যই
জানা থাকা উচিৎ।
৩. বাংলাদেশী লেখক এস এম
জাকির হোসেন খুব সুন্দর তিনটি বই
লিখেছেন
যেখানে শব্দগুলোকে তাদের root,
suffix, prefix ইত্যাদির
সাহায্যে আলোচনা করা হয়েছে।
বইয়ের নাম Word Learning Magic, book 1,
2, 3 (1D)।
B) জি আর ই’র Verbal অংশের জন্য বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
Verbal অংশে ভালো করার জন্য
আমাদের নির্বাচিত
বইগুলো নীচে দেওয়া হলো।
১. যারা উচ্চ স্কোর (330+) করতে চান
তাদের প্রথম থেকেই Manhattan
সিরিজ ভালো করে পড়া উচিত।
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ Unofficial গাইড।
(2A)
২. ETS থেকে প্রকাশিত Official Guide
(2B)
৩. Princeton Review Cracking the new GRE
(2C)
৪. Barron's New GRE (2D)
প্র্যাকটিসের জন্য সংগ্রহ করতে হবে:
৫. ETS GRE big book (2E)
৬. Princeton 1014 (2F)
কম গুরুত্বপূর্ণ:
৭. Peterson's GRE (2G)
৮. Kaplan GRE (2H)
৯. Grubber's GRE (2I)
C) জি আর ই’র Quantitative বা Math
অংশের জন্য বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
১. ম্যাথের জন্য সবচেয়ে ভালো বই
হবে জি আর ই সেন্টার
থেকে প্রকাশিত Math for GRE/GMAT
Tests
২. Manhattan GRE
৩. ETS official guide
এ ছাড়া, নবম শ্রেণীর বীজগণিত ও
জ্যামিতি বইয়ের অংক ও
সূত্রগুলো দেখে রাখতে হবে।
প্র্যাকটিসের জন্য:
৪. Leaked out GRE Maths (জি আর ই
সেন্টার থেকে প্রকাশিতব্য)
৫. Princeton 1014
৬. Data Interpretation এর জন্য Big Book
D) জি আর ই’র Analytical Writing অংশের
জন্য বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
১. Official Guide
২. Kaplan GRE
জি আর ই -এর জন্য স্পেশাল
প্রস্তুতি নিতে চাইলে এখানে দেখুন ...
এটি আপনার প্রস্তুতি খুব সহজ
করে দিবে ...। শুধু একবার দেখে আসুন
Click This Link
প্রস্তুতির জন্য স্পেপ্সাল টিপসঃ
ওয়ার্ড শেখা:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
জিআরই-তে ভাল করার জন্য ওয়ার্ড
শেখাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যারনসের
বইয়ে ৩৫০০টা শব্দ আছে। এই
শব্দগুলো আপনাকে জানতেই হবে।
এগুলো না জানলে আপনি কোনমতেই
পরীক্ষায় ভাল করবেননা। তার
আগে আপনি ওয়ার্ড-পাওয়ার মেইড
ইজিটা পড়ুন। সেটা পড়ে শেষ
করতে যে কোন এভারেজ ছাত্রের ১৫
দিন মত লাগার কথা যদি প্রতিদিন
২/৩ ঘন্টা সময় দেন। এর পরেই আপনার শুরু
হবে ব্যারনসের ওয়ার্ড শিখার
পালা। এটা আপনার প্রেপের
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। ৫০টা ওয়ার্ড
লিস্টের মধ্যে ৩৫০০ ওয়ার্ডের ১০০০
থেকে ১৫০০ ওয়ার্ড আপনার
জানা থাকার কথা।
না জানা থাকলেও কোন
সমস্যা নেই। এই ওয়ার্ড
লিস্টগুলো আপনাকে ২ মাসে সময়ের
মধ্যে শেষ করতে হবে। এজন্য
আপনাকে ফ্ল্যাশকার্ড
বানাতে হবে। যাতে আপনি সবসময়ই
আপনার সাথে কয়েকটা ফ্ল্যাশ কার্ড
রাখতে পারেন এবং ১ মিনিট সময়
পেলেও একটু চোখ বুলাতে পারেন।
ওয়ার্ড শিখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল রিভিউ
করা। আপনি প্রতিদিন যতসময় নতুন
ওয়ার্ড শিখার জন্য দিবেন অন্তত ততটুকু
সময় পূর্বের শিখা ওয়ার্ড রিভিউ
করার জন্য দিতে হবে। নাহয়
কোনদিনই
আপনি মনে রাখতে পারবেননা।
তাছাড়া এই
ওয়ার্ডগুলো যাতে কনটেক্স্ টে পান
সে ব্যবস্থা করতে হবে। ইউসেজ
না জেনে শুধু শুধু গাদাগাদা ওয়ার্ড
শিখে কোন লাভ নেই। এজন্য নিয়মিত
ইংরেজী পত্রিকা, জার্নাল,
ম্যাগাজিন পড়তে হবে।
সেখানে আপনি যখন
শিখা ওয়ার্ডগুলো কনটেক্সটে পাবেন
তখন আর কোনদিন শব্দগুলো ভুলবেননা।
আপনি যদি মুসলিম হন তবে এই
ওয়ার্ডগুলো কনটেক্সটে পাওয়ার
সবচেয়ে সহজ উপায় হল
ইংরেজীতে কোরআনের
আল্লামা ইউসুফের তরজমাটা নিয়মিত
পড়া। (মওদুদীরটা পড়বেননা। ভুলভাল
আছে।) এখানে জিআরই অলমোস্ট
৯০-১০০% শব্দগুলোই এসেছে। জিআরই-র
ওয়ার্ডগুলো সবগুলোই
একসাথে কনটেক্সটে থাকার অন্য
কোন সোর্স আমার জানা নেই,
থাকার কথাও না। এডিশনালি,
আপনি ফাযায়েলে আ'মাল বইয়ের
ইংরেজী ভারশানও পড়তে পারেন।
অন্য ধর্মের হলে আপনি টাইম,
নিউজউইক, ইকনমিস্ট, রিডার'স
ডাইজেস্ট পড়তে পারেন।
নীলক্ষেতে এসবের পুরাতন
কপি বিক্রি হয়, এককপি মনে হয়
১০টাকা নেই।
এভাবে রিলিজিয়াসলি ওয়ার্ড
শিখলে সেটা শুধু জিআরই-র জন্যই নয়,
আপনার
সারা জীবনে আপনাকে অনেক
উপরে নিয়ে যাবে। তাছাড়া শুধু
ব্যারনসের
ওয়ার্ডগুলো শিখতে পারলে আর
মনে রাখতে পারলে আপনি ভারবালে ৬৫০+
পাওয়া গ্যারন্টিড। আর জিআরই-
তে ১৪০০-র বেশি পেলেই
আপনি যুক্তরাষ্ট্রের ভাল
বিশ্ববিদ্যালয়ে ফান্ডিংসহ
পড়াটা বলা যায় একেবারে হাতের
কাছেই।
রিডিং কম্প্রিহেনশান:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
জিআরই-র রিডিং কম্প্রিহেনশান
নিয়ে সবাই ভুগে। সময় কম হওয়াতে আর
পেসেজগুলো বোরিং হওয়াতেই
সমস্যা। তবে জিআরই-র
বিগবুকে এক্সপ্ল্যানেশান
না থাকাটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।
এজন্য
আপনাকে যা করতে হবে সেটা হল
জিমেটের অফিসিয়াল
গাইডটা কিনতে হবে।
সেখানে প্রায়
৩০-৩৫টা রিডিং কম্প্রিহেনশান
বিস্তারিত এক্সপ্লানেশান
দেওয়া আছে।
সেগুলো আপনাকে প্রথমবার কোন
টাইমিং ছাড়া করতে হবে। তারপর
ব্যাখ্যা বিস্তারিত পড়তে হবে।
পরে আবার টাইমিংসহ করতএ হবে।
এগুলো জিআরই-র পেসেজ
থেকে টাফার এবং ইটিএসেরও
বানানো। তাই
এগুলো ভালমতে করলে জিআরই-র
কম্প্রিহেনশান ডালভাত হয়ে যাবে।
ওয়ার্ড শেখা আর জিমেটের
রিডিং কম্প্রিহেনশান করার জন্য
আপনার ২-২.৫ মাস সময় লাগবে। এরই
ফাকে ফাকে কিন্তু
আপনাকে ফোরামে পার্টিসিপেট
করতে হবে। আর ব্যারনসের বইটা প্রথম
থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ করতে হবে।
ম্যাথের জন্য কাপলানের জিআরই/
জিমেট ম্যাথ ওয়ার্কবুক করতে হবে।
এতে আপনার অন্যান্য সেকশানগুলোও
ক্রমান্বয়ে হয়ে যাবে। রচনার জন্য
টাইপিং স্পিড ভাল করতে হবে।
সাইফুর'সের বইটা ফলো করবেন। ২.৫
মাস হয়ে যাওয়ার পর এখন আপনার আর ১
মাস লাগার কথা ভালমতে প্রেপ
নেওয়ার জন্য।
এসময়ে আপনি প্রথমে শুরুতে পাওয়ারপ্রেপ
টেস্ট-১ দিবেন। দিয়ে আপনার
বিস্তারিত স্কোর ডেটসহ কয়টা ভুল
হয়েছে, কোন কোন প্রবলেম ভুল
হয়েছে এসব লিখে রাখবেন।
এরপরে বিগবুক শুরু করবেন।
বিগবুকে মোট ২৭টা টেস্ট আছে।
সেগুলো টাইমড কন্ডিশনে সল্ভ
করতে হবে। তারপর ভুলগুলো কেন
হয়েছে সেটা বুঝতে হবে। কোন প্রশ্ন
না বুঝলে ফোরমে পোস্ট করতে হবে।
বিগবুক হচ্ছে জিআরই-র বাইবেল।
বিগবুক যদি ভালমতে করেন
তাহলে আসল জিআরই আপনার জন্য
ইজি হয়ে যাবে। প্রতিদিন
২টা করে টেস্ট করবেন।
ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীতজি আর ই
কি?
“গ্র্যাজুয়েট রেকর্ড এক্সামিনেশন
(Graduate Record Examination)” –
কে সংক্ষেপে বলা হয় “জি আর ই
(GRE)”। এটি মূলতঃ এডুকেশনাল
টেস্টিং সার্ভিস (ETS) –এর
একটি রেজিস্টার্ড এডুকেশনাল
ব্র্যান্ড, তাই একে লেখা হয় GRE®।
আমেরিকার
ভালো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গ্র্যাজুয়েট
প্রোগ্রামে (ব্যাচেলর ডিগ্রির পর
এমএস/ পিএইচডি প্রোগ্রাম) ভর্তির
জন্য জি আর ই অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়।
সোজা কথা GRE একটি সম্পূর্ণ
কম্পিউটারাইজড পরীক্ষা যা অনেক
দেশের অনেক
ইউনিভার্সিটিতে (বিশেষ
করে উত্তর আমেরিকাতে) গ্র্যাজুয়েট
স্টাডি (মাস্টার্স বা পিএইচডি)
করার জন্য লাগে। প্রধানত science & arts
ব্যকগ্রাউন্ড এর স্টুডেন্টদের
এটা লাগে। Commerce ব্যকগ্রাউন্ডের
জন্য লাগে GMAT; তবে অনেক
বিজনেস স্কুল আজকাল GRE একসেপ্ট
করছে।
Why GRE is important?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনেক ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির
জন্য শুধুমাত্র সিজিপিএ আর IELTS/
TOEFL স্কোর হলেই চলে। কিন্তু
আমেরিকা, কানাডার
ইউনিভার্সিটিগুলো সহ আরো বেশ
কিছু দেশের ইউনিভার্সিটি একটু
শেয়ানা। তারা জানে, শুধু
সিজিপিএ কারো যোগ্যতার
মাপকাঠি হতে পারেনা।
ওরা জানে, একেক ইউনিভার্সিটির
সিজিপিএ নিয়ে উদারতা একেক
রকম। যেমন, বাংলাদেশে পাবলিক
ভার্সিটিতে যেখানে 3.5
তুলতে কৌষ্ঠকাঠিন্য হয়ে যায়,
সেখানে প্রাইভেট
ভার্সিটিতে 3.90 বেশ নরম্যাল
রেজাল্ট। যাদের সিজিপিএ কম,
তাদের জন্য এটা বেশ সুখবর। নিজের
যোগ্যতা প্রমাণের
আরো একটা সুযোগ আছে আপনাদের
জন্য।
জি আর ই (GRE) –এর অনন্যতা
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির
সাথে জি আর ই, জিম্যাট এর কিছু
পার্থক্য আছেঃ
প্রচলিত পরীক্ষা হয় কাগজ কলমে, আর
জি আর ই, জিম্যাট পরীক্ষা হয়
কম্পিউটারে।
আপনি একবারে মাত্র একটি প্রশ্ন
দেখতে পাবেন। আগের জি আর ই
(২০১১ এর অগাস্টের আগে) ছিল
সিএটি বা Computer Adaptive Test (CAT)
ধরণের, যার অর্থ হলো কম্পিউটার
আপনার উত্তরের উপর নির্ধারণ
করবে যে পরবর্তীতে আপনাকে কেমন
প্রশ্ন দেবে। আপনি যদি কোন প্রশ্নের
উত্তর ভুল করেন তাহলে পরেরটা সহজ
এবং কোনটা সঠিক হলে পরেরটা একটু
কঠিন হতো। কিন্তু বর্তমান জি আর ই
তে CAT ব্যবহৃত হয় না।
বরং এখানে যা হয় তাকে বলে MST,
Multi-Stage Testing ।
বর্তমানে দুটি ভার্বাল ও দুটি ম্যাথ
সেকশন থাকে। যদি প্রথম ভার্বাল
অংশটায় আপনার পারফর্ম্যান্স
ভালো হয় তাহলে পরেরটা কঠিন
হবে, এবং বিপরীতক্রম। একই কথা সত্য
ম্যাথ অংশের জন্যও।
সনাতন পরীক্ষায়
আপনি জানতে পারবেন যে কোন
প্রশ্নের জন্য কত মার্কস। কিন্তু জি আর ই
বা জিম্যাটে ঠিক
এভাবে জানা যায় না। আপনার
সামগ্রিক পারফর্ম্যান্স
বিবেচনা করে কম্পিউটার
একটি স্কোর দাঁড় করায়, যা নির্দিষ্ট
সূত্র মেনে চলে।
পরীক্ষার হলে কক্ষপরিদর্শক
বা ইনভিজিলেটররা থাকেন। জি আর
ই পরীক্ষার হলে একটি সাইবার
ক্যাফের
মতো রুমে সবাইকে আলাদা আলাদা কম্পিউটারের
সামনে বসিয়ে দেওয়া হয়,
এবং ইনভিজিলেটররা বাইরের
রুমে থাকেন। প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর
কর্মকাণ্ড তারা ক্লোস সার্কিট
ক্যামেরায় দেখতে পারেন।
প্রচলিত পরীক্ষায় ভাবমূলক
বা সাবজেকটিভ ধরণের প্রশ্ন
থাকতে পারে, যার উত্তর এক এক রকম
হলে মার্কস ও এক এক রকম হতে পারে।
জি আর ই বা জিম্যাটের
অ্যানালাইটিক্যাল রাইটিং অংশ
ছাড়া ম্যাথ ও ভার্বাল অংশের সব
প্রশ্নই অবজেকটিভ ধরণের হবে, অর্থাৎ
এক বা একাধিক উত্তর থাকবে কিন্তু
ঠিক ওগুলোই সঠিক উত্তর। এক এক জন
একেক রকম উত্তর দিয়ে সঠিক মার্কস
পেতে পারবে না
বিষয় বিত্তিক জি আর ই ও সাধারণ
জি আর ই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
সাধারণত নিম্ন লিখিত
আটটি বিষয়ের উপর বিষয়ভিত্তিক
জি আর ই টেস্ট দেয়া যায়ঃ
১। প্রাণরসায়ন (Biochemistry), কোষ
এবং আণবিক জীববিজ্ঞান (Cell and
Molecular Biology)
২। জীববিজ্ঞান (Biology)
৩। রসায়ন (Chemistry)
৪। কম্পিউটার সাইন্স
৫। ইংরেজি সাহিত্য (Literature in
English)
৬। গণিত (Mathematics)
৭। পদার্থ বিজ্ঞান (Physics)
৮। মনোবিজ্ঞান (Psychology)
যে কেউ চাইলে এর
যেকোনো বিষয়ের উপর বিষয়
ভিত্তিক জি আর ই টেস্ট
দিতে পারবে। আর সাধারণ জি আর ই
–এর অন্তর্ভূক্ত বিষয়গুলো হল, ভার্বাল
রিজোনিং (Verbal Reasoning),
কোয়ান্টিটেটিভ
রিজোনিং (Quantitative Reasoning)
এবং এনালাইটিক্যাল
রাইটিং স্কিলস (Analytical Writing
Skills)। সাধারণ জি আর ই টেস্টের জন্য
নির্ধারিত এই বিষয়গুলো সকলের জন্য
একই রকমের হবেঃ
ভার্বাল রিজোনিং (Verbal
Reasoning):
▬▬▬▬▬▬▬▬
এই টেস্টের
মাধ্যমে দেখা হবে পরীক্ষার্থীর
ইংরেজী শব্দ ও বাক্যের উপর
দক্ষতা কত। ইংরেজীতে আর্টিকেল
লেখা থাকবে, সেই আর্টিকেলের
বিষয়বস্তুগুলোকে (বাক্য) বিভিন্ন
ভাগে ভাগ করতে হবে, এরপর
প্রতিটি ভাগকে বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন
করতে হবে (শব্দগুলোর
সাথে বিষয়বস্তুর সম্পর্ক বের
করতে হবে)।
বিস্তারিতঃ
জিআরই-র ভারবাল কঠিন। এতে কোন
সন্দেহ নেই। জিআরই-র ভারবাল স্কোর
ডিপেন্ড
করে আপনি ভোকাবুলারিতে কিরকম
সেটার উপর। ভাগ্যের ব্যাপার
হচ্ছে সায়েন্সের
প্রোগ্রামগুলোতে ভারবাল
স্কোরটা খুব বেশি গুরুত্ব বহন করেনা।
মোটামোটি ভারবালে ৮০০-র
মধ্যে ৫০০-৫৫০ পেলেই ভাল
প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া যায়।
তবে হিউমেনিটিজ বা আর্টেসের
সাবজেক্টগুলো্তে ভারবাল গুরুত্বপূর্ণ।
তাই তাদের অন্তত ৬০০+ পাওয়া উচিৎ
স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য। যাদের
ইংলিশ স্কিলস ভাল
না তারা কিভাবে ভাল করবেন
সেটা জিমেটের পোস্টে বলেছি।
তাই ইংলিশ ভাল করার জন্য ৫/৬ মাস
কষ্ট করুন যেভাবে বলেছি সেভাবেই।
ভারবালে মোট ৩০টা প্রশ্ন থাকে,
সময় থাকে ৩০ মিনিট। উল্লেখ্য ম্যাথ
এবং ভারবালের মধ্যে কোন ব্রেক
নেই (জিমেটে আছে)। ভারবালে ৪
ধরণের প্রশ্ন থাকে। সেন্টেন্স
কম্পলিশান, এন্টনিমস, এনালজি,
রিডিং কম্পরিহেনশান। চারটার
মধ্যে তিনটাই সরাসরি আপনার
ভোকাবুলারী স্কিলসের উপর
ডিপেন্ড করে। তাই
ভোকাবুলারীটা জিআরই-র
ভারবালের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সেন্টেন্স কম্প্লেশান
হচ্ছে আমরা ছোটকাল
থেকে যে শুণ্যস্থান পূরণ করতাম সেই
একই জিনিস, শুধু ইংরেজীতে।
তবে বেশিরভাগ প্রশ্নে দুটা শুণ্যস্থান
থাকে। এনটনিমস আর
এনালজি পুরোপুরি ভোকাবুলারির
উপর ডিপেন্ড করে।
কোয়ান্টিটেটিভ
রিজোনিং (Quantitative Reasoning):
▬▬▬▬▬▬▬▬
এই অংশকে ম্যাথ সেকশনও বলা হয়।এই
টেস্টের
মাধ্যমে দেখা হবে পরীক্ষার্থীর
গাণিতিক মৌলিক
ধারনা এবং পরিমাণগত বৈশিষ্ট্যের
মাধ্যমে বীজগণিত, জ্যামিতি ও তথ্য
বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা।
বিস্তারিতঃ
আপনার পরীক্ষার ২য়
সেকশানটা ম্যাথ বা ভারবাল
যেকোনটাই হতে পারে। ম্যাথ স্কোর
টোটাল ৮০০। বাংলাদেশের
ছেলেদের জন্য ৮০০ তে ৮০০
পাওয়া খুবই কমন। এখানে জিমেটের
মতই হাইস্কুল লেভেলের এরিথমেটিক,
এলজেব্রা, জিওমেট্রি, ওয়ার্ড
প্রবলেম এসব আসে। মোট ২৮টা প্রশ্নের
৪৫ মিনিট সময় থাকবে। তিন ধরণের
প্রশ্ন থাকে। প্রবলেম সলভিং,
কোয়ান্টিটেটিভ কমপেরিসন আর
ডাটা ইন্টারপ্রিটেশান। প্রবলেম
সলভিং জিমেটের মতই, আরেকটু হয়ত
ইজি। কোয়ান্টিটেটিভ
কমপেরিসনে দুইটা এক্সপ্রেশান
থাকবে, যেগুলোর মধ্যে কোনটা বড়,
কোনটা ছোট বা সমান এসব বের
করতে হয়। কয়েক সপ্তাহ প্র্যাকটিস
করলে এটা সবচেয়ে সহজ হয়ে যায়।
যারা আন্ডারগ্র্যাডে স্ট্যটিসটিকস
নিয়েছেন তাদের জন্য
ডাটা ইন্টারপ্রেটেশন ডালভাত।
না নিলেও ক্ষতি নেই।
এখানে সাধারণত পাইচার্ট, বার-
ডায়াগ্রাম এসবের উপর
ভিত্তি করে কিছু প্রশ্ন থাকে।
বলা যায় এটা সবচেয়ে সহজ পার্ট
যদি আপনি নার্ভাস না হয়ে যান।
কম্পিউটার এডাপ্টিভ হওয়াতেপ্রথম
৮/১০ টা প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই
সেগুলোর জন্য একটু বেশি সময়
দিতে হবে।
ইদানিংকালে এভারেজ,
মিডিয়ান, স্ট্যান্ডারড
ডিভিয়েশান, প্রবাবিলিটি এসবের
উপর প্রশ্ন আসতেছে। এদিকে একটু নজর
দিতে হবে। ম্যাথ কিভাবে পড়বেন
সেটা প্রেপ সেকশান বলব।
এনালাইটিক্যাল রাইটিং স্কিলস
(Analytical Writing Skills):
▬▬▬▬▬▬▬▬
এই টেস্টের
মাধ্যমে দেখা হবে পরীক্ষার্থীর
যে কোনো ধরনের জটিল
সমস্যা স্পষ্টভাবে ও সকল
বিষয়াদি বিবেচনাধীন
রেখে সমাধান করা। এই সমাধান
পরিষ্কার ইংরেজীতে লিখতেও
হবে।
বিস্তারিতঃ
জিমেট আর জিআরই রচনা একই রকম হয়।
দুটাতেই
আপনাকে দুটা রচনা লিখতে হবে।
একটা এনালিসিস অফ ইস্যু
আরেকটা এনালিসিস অফ আর্গুমেন্ট।
তবে জিমেটে যেখানে দুটার জন্যই
৩০ মিনিট করে সময়
থাকে সেখানে জিআরই তে ইস্যুর
জন্য ৪৫ মিনিট আর আর্গুমেন্ট জন্য ৩০
মিনিট সময় থাকে। জিআরই-র
রচনাগুলো আপনি যদি সায়েন্স
পড়তে চান তাহলে খুব গুরুত্বপূর্ণ না,
তবে আর্টস, হিউমেনিটিজ
পড়তে চাইলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মোটামুটি ৪-এর উপরে পেলেই
চলবে ৬-এর মধ্যে।
জিমেটে যেভাবে টেম্প্লেট
এপ্রোচের কথা বলেছিলাম জিআরই
তেই একইভাবে টেম্প্লেট এপ্রোচ
ব্যবহার করে ভাল করা যাবে। তার
জন্য সাইফুর'স জিমেট/জিআরই Essay
বইটা দেখুন। পরীক্ষা প্রথমে শুরু হয়
রচনা দিয়ে। রচনাগুলো লেখার পর ১০
মিনিটের ব্রেক আছে।
বাংলাদেশে জি আর ই
পরীক্ষাকেন্দ্র
▬▬▬▬▬▬▬▬
আমেরিকান অ্যালামনাই
এ্যাসোসিয়েশন
বাসা নং- ১৪৫, রোড নং- ১৩বি, ব্লক-
ই,
বনানী, ঢাকা-১২১৩।
টেলিফোনঃ (৮৮০-২) ৯৮৮১৬৬৯
ফ্যাক্সঃ (৮৮০-২) ৯৮৮১৬৬৯
ই-মেইলঃ info@aaa.net.bd
সপ্তাহে তিন দিন এই পরীক্ষা কেন্দ্র
বন্ধ থাকেঃ শুক্রবার, শনিবার ও
রবিবার। বাকি চার দিন
এখানে পরীক্ষা গ্রহন করা হয়।
দুইটি সেশনে পরীক্ষা নেয়া হয়ঃ সকাল
৯.০০ মিনিটে এবং দুপুর ১.৩০
মিনিটে।
নোটঃ দিনে দুইবার
করে সপ্তাহে চার দিন
পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থাকলেও
একজন পরীক্ষার্থী মাসে শুধু একবার
এবং বছরে মাত্র পাঁচবার
পরীক্ষা দিতে পারবেন। এর
বেশি তাকে পরীক্ষা দিতে দেয়ার
সুযোগ দেয়া হয় না।
জি আর ই
করে আমেরিকা যেতে খরচের
বিস্তারিতঃ (আনুমানিক)
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
1) জি আর ই রেজিস্ট্রেশন ফি = $ ১৮৫
(প্রায় ১৪,৮০০ টাকা)
2) টোয়েফেল রেজিস্ট্রেশন ফি = $
১৫০ (প্রায় ১২,০০০ টাকা)
3) বিশ্ববিদ্যালয়ে (চারটিতে)
আবেদন ফি = $ ২৫ X ৪ = $ ১০০ (প্রায়
৮,০০০ টাকা)
4) আবেদন পাঠানোর খরচ
(চারটি ঠিকানায়) = ২,০০০ টাকা X ৪
= ৮,০০০ টাকা
5) সার্ভিস ফি = ১৬,০০০ টাকা
6) ভিসা ইন্টারভিউ ফি = ৯,০০০
টাকা
7) প্লেন ফেয়ার = ৭০,০০০ টাকা
8) মোট = ১,৩৭,৮০০ টাকা
এখানে যে খরচের চিত্র
দেখানো হলো, বাস্ততে তার
সাথে কিছু পার্থক্য হতে পারে।
যেমন, প্লেনের টিকেটের দাম
নির্ভর করে কোন সময়ে টিকেট
কাটা হচ্ছে এবং কোন
এয়ারলাইন্সে কাটা হচ্ছে।
ভিসা ইন্টারভিউ ফি বর্তমানে কিছু
বাড়ানো হয়েছে। আর সব খরচ
মোটামুটি একই রকম।
জি আর ই পেয়িং সিস্টেম (চেকের
মাধ্যমে)
▬▬▬▬▬▬▬▬
জি আর ই সেন্টারের ঢাকা অফিস
থেকে চেক সংগ্রহ করে কুরিয়ারের
মাধ্যমে আপনার গন্তব্যস্থল-এ
পাঠানো যায় অথবা অতিরিক্ত
টাকার বিনিময়ে ইউএস অবস্থিত
জি আর ই সেন্টারগুলোর
মাধ্যমে নির্দিষ্ট ঠিকানায়
পেমেন্ট পোঁছিয়ে দেওয়ার
ব্যবস্থা রয়েছে।
যদি ইউএস অফিস মাধ্যমে পেমেন্ট
পৌঁছানোর দুটি উপায় রয়েছে-
চেক সার্ভিসের ক্ষেত্রে ২০০০
টাকা অতিরিক্ত লাগবে।
উদাহরনস্বরূপ, $৭৫ ডলারের চেকের
জন্য ৭৫০০ টাকার সাথে আরো ২০০০
টাকার লাগবে।
ইউএসএ অফিসে অনুরোধ অনুসারে $১২
ডলার অতিরিক্ত পে-এর
মাধ্যমে আপনার কাঙ্ক্ষিত
বিশ্ববিদ্যালয়ে চেক
পাঠানো যাবে।
নোট: টেক্সাস অফিস থেকে ‘ব্যাংক
অব আমেরিকা’ ইস্যু করা হয়।
জি আর ই পেয়িং সিস্টেম
(টেলিফোনের মাধ্যমে)
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
উল্লে্খ্য যে, ফোনের
মাধ্যমে ক্রেডিক কার্ড ইনফরমেশন
সবসময় প্রতারণার ঝুঁকি থাকে।
আপনাকে নিশ্চিত
করতে হবে যে আপনি টেলিফোন
ব্যতিত অন্য কোন মাধ্যমে পেমেন্ট
করেননি। বাংলাদেশের একমাত্র
জি আর ই সেন্টার এ সার্ভিস
দিয়ে থাকে।
ফোনের মাধ্যমে জি আর ই এএসআর
অর্ডার প্লেসিং-এর জন্য
এই সেবা পেতে লাগবে
টোফেল একাউন্ট ইউজারনেম
একাউন্ট পাসওর্য়াড
আপনি যে তারিখের পরীক্ষার
স্কোর পেতে চান সেই তারিখ
(টোফেল ছাড়া অন্যদের
ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)
এরপর…
জি আর ই সেন্টার আপনার টোফেল
কপির জন্য অনলাইনে পেমেন্ট করবে।
ইটিএস সাধারণত ১৪ দিনের ভিতর
টোফেল পেপার পাঠিয়ে থাকে।
অর্ডারের দিন থেকে ৫ দিনের
ভিতর এবং সর্বোচ্চ ১ মাসের অর্ডার
এবং রিসিপ্ট কার্যক্রম সম্পাদন
করা হয়।
ইউএস অফিসে স্কোর কার্ড
পোঁছানোর পর ৩ দিনের ভিতর
ফেডেক্স কুরিয়ারের
মাধ্যমে ঢাকায় পাঠনো হয়।
ঢাকা অফিস থেকে পেপার
কপি সংগ্রহ করতে হবে।
নোট: জি আর ই স্কোর পেপার ইউএসএ
অফিস থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।
নিন্মলিখিত তথ্যগুলোর জন্য ইটিএস
হেড কোয়াটার থেকে কল করা হয়-
জি আর ই রেজিস্ট্রেশন অনলাইন
কনফার্মেশন অথবা রেজিস্ট্রেশন
নাম্বার
নামের প্রথম, মধ্যম এবং শেষ অংশের
জন্য
জন্ম তারিখ
লিঙ্গ
ই-মেইল
ঠিকানা লাইন-১
ঠিকানা লাইন-২
সিটি/শহর
জিপ/পোষ্টাল কোড
ফোন নং
অতিরিক্ত ফোন নং
জি আর ই-এর তারিখ
ভার্বাল, কোয়ানটিটেটিভ
এবং রাইটিং সেকশনের স্কোর
ই-মেইল আইডি
মাই জি আর ই ইউজার নেম
মাই জি আর ই পাসওয়ার্ড
একাউন্ট খুলতে হবে
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
http://www.gre.org তে গিয়ে। এটার
জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে খরচ
পড়বে 185 ডলার। Credit Card এর
মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হয়।
একবার পরীক্ষা দিলে 4
টা ভার্সিটিতে ফ্রি স্কোর
পাঠানো যায়,
পরবর্তী প্রতিটি ভার্সিটিতে পাঠাতে লাগে 25
ডলার করে; স্কোর valid থাকে 5 বছর
পর্যন্ত। এটাও ক্রেডিট কার্ডের
মাধ্যমেই করতে হয়।
GRE বছরে পাঁচবার দেয়া যায়, কিন্তু
একবার দেয়ার পরবর্তী 30 দিনের
মধ্যে আর দেয়া যায়না।
Exam centre – American Alumni Association
(AAA), House# 145, Road 13B, Block # E,
Banani, Dhaka.
।
জি আর ই পরীক্ষা পদ্বতিঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
• Reading comprehension from short,
medium or long passages (জি আর ই’র
মোট ভার্বাল প্রশ্নের অর্ধেকই
হবে এরকম প্রশ্ন)
• Text Completion বা এক কথায় শূন্যস্থান
পূরণ। তবে বাক্যের মধ্যে একটি,
দুইটি এমনকি তিনটি পর্যন্ত শূন্যস্থান
থাকতে পারে।
• Sentence Equivalence: একটা বাক্যের
মধ্যে একটি শূন্যস্থান থাকবে,
নীচে ছয়টি শব্দ অপশন
দেওয়া থাকবে যার মধ্যে যে কোন
দুটি হবে সঠিক এবং চারটি ভুল।
৩। ম্যাথ অংশে যা যা থাকবেঃ
• Quantitative comparison.
পাশাপাশি দুটি কলাম (এ এবং বি)
দিয়ে বলবে কোনটা বড় বের কর।
• Discrete mathematical problems:
সরাসরি অংক কষে তার উত্তর বের
করতে হবে।
• Data Interpretation: গ্রাফের
মধ্যে ডাটা দিয়ে সেগুলো থেকে সংখ্যায়
উত্তর বের করতে হবে।
• Numerical Input: অংক করে উত্তর
একটি বক্সের মধ্যে বসাতে হয়। অর্থাৎ,
কোন অপশন দেওয়া থাকবে না।
জি আর ই প্রস্তুতির জন্য বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রয়োজনীয় বইগুলোকে চার
ভাগে ভাগ করা হয়। গুরুত্ব
অনুসারে এগুলো এরকম
(প্রথমটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
A) ইংরেজী শব্দ ভাণ্ডার
বা ভোকাবুলারি (vocabulary) সমৃদ্ধ
করার বই
B) জি আর ই’র verbal অংশের জন্য বই
C) জি আর ই’র Quantitative বা math
অংশের জন্য বই
D) জি আর ই’র Analytical writing অংশের
জন্য বই
A) Vocabulary সমৃদ্ধ করার বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
বাজারে অসংখ্য বই পাওয়া যায়
ওয়ার্ডলিস্ট বা ভোকাবুলারি সমৃদ্ধ
করার জন্য। বাংলাদেশের
সবচেয়ে বেশি বিক্রিত
ভোকাবুলারি’র বইয়ের
দুটি হলো সাইফুর’স ভোকাবুলারি বই
এবং প্রিন্সটন রিভিউ
থেকে প্রকাশিত ওয়ার্ডমাস্টার বই।
সাইফুরস এর বইটা একদম নবীনদের জন্য
ভালো, যাদের হয়ত ইংরেজী শব্দ
বানান করে করে পড়তে হয়। কিন্তু
যারা GRE বা SAT’র মতো পরীক্ষায়
বসতে চান, তাদের একটু সমৃদ্ধতর বইয়ের
দিকে যাওয়াই উচিত।
১. শব্দগুলোকে গ্রুপ করে পড়ার জন্য
সংগ্রহ করতে পারেন জি আর ই
সেন্টার থেকে প্রকাশিত ওয়ার্ড
পোস্টার (1B) , এবং ফরহাদ হোসেন
মাসুম রচিত Vocabuilder বই (1A)। শব্দ
মনে রাখার সবচেয়ে বৈজ্ঞানিক
উপায় হলো শব্দের গঠন
ভেঙ্গে ভেঙ্গে তার মূল বা রুট
দিয়ে মনে রাখা, এবং সমজাতীয়
শব্দগুলো এক সাথে পড়া। এই বই
দুইটিতে শব্দের মূল (root)
নিয়ে আলোচনা না করলেও
সমজাতীয় ও পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত
শব্দগুলোকে এক
সাথে আলোচনা করা হয়েছে বলে অল্প
সময়ে অনেকগুলো শব্দ মনে রাখা যায়।
২. শব্দের উৎস ও suffix (শব্দের
শেষে বসা অংশ), prefix (শব্দের
শুরুতে বসা অংশ)
ইত্যাদি দিয়ে বোঝা যায় একটি শব্দ
কিভাবে গড়ে ওঠে এবং পরিবর্তিত
হয়। এসব
নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে Word
power made easy (by Norman Lewis)
বইটিতে (1C), যা ভোকাবুলারির দখল
বাড়ানোর জন্য পৃথিবীর
সবচেয়ে জনপ্রিয় বইগুলোর একটি।
বইটির শেষে কিন্তু বিশেষ একটা শব্দ
তালিকা দেওয়া আছে, যা জি আর ই
শিক্ষার্থীদের অবশ্যই
জানা থাকা উচিৎ।
৩. বাংলাদেশী লেখক এস এম
জাকির হোসেন খুব সুন্দর তিনটি বই
লিখেছেন
যেখানে শব্দগুলোকে তাদের root,
suffix, prefix ইত্যাদির
সাহায্যে আলোচনা করা হয়েছে।
বইয়ের নাম Word Learning Magic, book 1,
2, 3 (1D)।
B) জি আর ই’র Verbal অংশের জন্য বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
Verbal অংশে ভালো করার জন্য
আমাদের নির্বাচিত
বইগুলো নীচে দেওয়া হলো।
১. যারা উচ্চ স্কোর (330+) করতে চান
তাদের প্রথম থেকেই Manhattan
সিরিজ ভালো করে পড়া উচিত।
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ Unofficial গাইড।
(2A)
২. ETS থেকে প্রকাশিত Official Guide
(2B)
৩. Princeton Review Cracking the new GRE
(2C)
৪. Barron's New GRE (2D)
প্র্যাকটিসের জন্য সংগ্রহ করতে হবে:
৫. ETS GRE big book (2E)
৬. Princeton 1014 (2F)
কম গুরুত্বপূর্ণ:
৭. Peterson's GRE (2G)
৮. Kaplan GRE (2H)
৯. Grubber's GRE (2I)
C) জি আর ই’র Quantitative বা Math
অংশের জন্য বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
১. ম্যাথের জন্য সবচেয়ে ভালো বই
হবে জি আর ই সেন্টার
থেকে প্রকাশিত Math for GRE/GMAT
Tests
২. Manhattan GRE
৩. ETS official guide
এ ছাড়া, নবম শ্রেণীর বীজগণিত ও
জ্যামিতি বইয়ের অংক ও
সূত্রগুলো দেখে রাখতে হবে।
প্র্যাকটিসের জন্য:
৪. Leaked out GRE Maths (জি আর ই
সেন্টার থেকে প্রকাশিতব্য)
৫. Princeton 1014
৬. Data Interpretation এর জন্য Big Book
D) জি আর ই’র Analytical Writing অংশের
জন্য বই
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
১. Official Guide
২. Kaplan GRE
জি আর ই -এর জন্য স্পেশাল
প্রস্তুতি নিতে চাইলে এখানে দেখুন ...
এটি আপনার প্রস্তুতি খুব সহজ
করে দিবে ...। শুধু একবার দেখে আসুন
প্রস্তুতির জন্য স্পেপ্সাল টিপসঃ
ওয়ার্ড শেখা:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
জিআরই-তে ভাল করার জন্য ওয়ার্ড
শেখাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যারনসের
বইয়ে ৩৫০০টা শব্দ আছে। এই
শব্দগুলো আপনাকে জানতেই হবে।
এগুলো না জানলে আপনি কোনমতেই
পরীক্ষায় ভাল করবেননা। তার
আগে আপনি ওয়ার্ড-পাওয়ার মেইড
ইজিটা পড়ুন। সেটা পড়ে শেষ
করতে যে কোন এভারেজ ছাত্রের ১৫
দিন মত লাগার কথা যদি প্রতিদিন
২/৩ ঘন্টা সময় দেন। এর পরেই আপনার শুরু
হবে ব্যারনসের ওয়ার্ড শিখার
পালা। এটা আপনার প্রেপের
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। ৫০টা ওয়ার্ড
লিস্টের মধ্যে ৩৫০০ ওয়ার্ডের ১০০০
থেকে ১৫০০ ওয়ার্ড আপনার
জানা থাকার কথা।
না জানা থাকলেও কোন
সমস্যা নেই। এই ওয়ার্ড
লিস্টগুলো আপনাকে ২ মাসে সময়ের
মধ্যে শেষ করতে হবে। এজন্য
আপনাকে ফ্ল্যাশকার্ড
বানাতে হবে। যাতে আপনি সবসময়ই
আপনার সাথে কয়েকটা ফ্ল্যাশ কার্ড
রাখতে পারেন এবং ১ মিনিট সময়
পেলেও একটু চোখ বুলাতে পারেন।
ওয়ার্ড শিখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল রিভিউ
করা। আপনি প্রতিদিন যতসময় নতুন
ওয়ার্ড শিখার জন্য দিবেন অন্তত ততটুকু
সময় পূর্বের শিখা ওয়ার্ড রিভিউ
করার জন্য দিতে হবে। নাহয়
কোনদিনই
আপনি মনে রাখতে পারবেননা।
তাছাড়া এই
ওয়ার্ডগুলো যাতে কনটেক্স্ টে পান
সে ব্যবস্থা করতে হবে। ইউসেজ
না জেনে শুধু শুধু গাদাগাদা ওয়ার্ড
শিখে কোন লাভ নেই। এজন্য নিয়মিত
ইংরেজী পত্রিকা, জার্নাল,
ম্যাগাজিন পড়তে হবে।
সেখানে আপনি যখন
শিখা ওয়ার্ডগুলো কনটেক্সটে পাবেন
তখন আর কোনদিন শব্দগুলো ভুলবেননা।
আপনি যদি মুসলিম হন তবে এই
ওয়ার্ডগুলো কনটেক্সটে পাওয়ার
সবচেয়ে সহজ উপায় হল
ইংরেজীতে কোরআনের
আল্লামা ইউসুফের তরজমাটা নিয়মিত
পড়া। (মওদুদীরটা পড়বেননা। ভুলভাল
আছে।) এখানে জিআরই অলমোস্ট
৯০-১০০% শব্দগুলোই এসেছে। জিআরই-র
ওয়ার্ডগুলো সবগুলোই
একসাথে কনটেক্সটে থাকার অন্য
কোন সোর্স আমার জানা নেই,
থাকার কথাও না। এডিশনালি,
আপনি ফাযায়েলে আ'মাল বইয়ের
ইংরেজী ভারশানও পড়তে পারেন।
অন্য ধর্মের হলে আপনি টাইম,
নিউজউইক, ইকনমিস্ট, রিডার'স
ডাইজেস্ট পড়তে পারেন।
নীলক্ষেতে এসবের পুরাতন
কপি বিক্রি হয়, এককপি মনে হয়
১০টাকা নেই।
এভাবে রিলিজিয়াসলি ওয়ার্ড
শিখলে সেটা শুধু জিআরই-র জন্যই নয়,
আপনার
সারা জীবনে আপনাকে অনেক
উপরে নিয়ে যাবে। তাছাড়া শুধু
ব্যারনসের
ওয়ার্ডগুলো শিখতে পারলে আর
মনে রাখতে পারলে আপনি ভারবালে ৬৫০+
পাওয়া গ্যারন্টিড। আর জিআরই-
তে ১৪০০-র বেশি পেলেই
আপনি যুক্তরাষ্ট্রের ভাল
বিশ্ববিদ্যালয়ে ফান্ডিংসহ
পড়াটা বলা যায় একেবারে হাতের
কাছেই।
রিডিং কম্প্রিহেনশান:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
জিআরই-র রিডিং কম্প্রিহেনশান
নিয়ে সবাই ভুগে। সময় কম হওয়াতে আর
পেসেজগুলো বোরিং হওয়াতেই
সমস্যা। তবে জিআরই-র
বিগবুকে এক্সপ্ল্যানেশান
না থাকাটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।
এজন্য
আপনাকে যা করতে হবে সেটা হল
জিমেটের অফিসিয়াল
গাইডটা কিনতে হবে।
সেখানে প্রায়
৩০-৩৫টা রিডিং কম্প্রিহেনশান
বিস্তারিত এক্সপ্লানেশান
দেওয়া আছে।
সেগুলো আপনাকে প্রথমবার কোন
টাইমিং ছাড়া করতে হবে। তারপর
ব্যাখ্যা বিস্তারিত পড়তে হবে।
পরে আবার টাইমিংসহ করতএ হবে।
এগুলো জিআরই-র পেসেজ
থেকে টাফার এবং ইটিএসেরও
বানানো। তাই
এগুলো ভালমতে করলে জিআরই-র
কম্প্রিহেনশান ডালভাত হয়ে যাবে।
ওয়ার্ড শেখা আর জিমেটের
রিডিং কম্প্রিহেনশান করার জন্য
আপনার ২-২.৫ মাস সময় লাগবে। এরই
ফাকে ফাকে কিন্তু
আপনাকে ফোরামে পার্টিসিপেট
করতে হবে। আর ব্যারনসের বইটা প্রথম
থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ করতে হবে।
ম্যাথের জন্য কাপলানের জিআরই/
জিমেট ম্যাথ ওয়ার্কবুক করতে হবে।
এতে আপনার অন্যান্য সেকশানগুলোও
ক্রমান্বয়ে হয়ে যাবে। রচনার জন্য
টাইপিং স্পিড ভাল করতে হবে।
সাইফুর'সের বইটা ফলো করবেন। ২.৫
মাস হয়ে যাওয়ার পর এখন আপনার আর ১
মাস লাগার কথা ভালমতে প্রেপ
নেওয়ার জন্য।
এসময়ে আপনি প্রথমে শুরুতে পাওয়ারপ্রেপ
টেস্ট-১ দিবেন। দিয়ে আপনার
বিস্তারিত স্কোর ডেটসহ কয়টা ভুল
হয়েছে, কোন কোন প্রবলেম ভুল
হয়েছে এসব লিখে রাখবেন।
এরপরে বিগবুক শুরু করবেন।
বিগবুকে মোট ২৭টা টেস্ট আছে।
সেগুলো টাইমড কন্ডিশনে সল্ভ
করতে হবে। তারপর ভুলগুলো কেন
হয়েছে সেটা বুঝতে হবে। কোন প্রশ্ন
না বুঝলে ফোরমে পোস্ট করতে হবে।
বিগবুক হচ্ছে জিআরই-র বাইবেল।
বিগবুক যদি ভালমতে করেন
তাহলে আসল জিআরই আপনার জন্য
ইজি হয়ে যাবে। প্রতিদিন
২টা করে টেস্ট করবেন। 

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০১৫

জনপ্রিয় ১৫ টি ফ্রি হোস্টিং প্রতিষ্ঠান,তৈরি করুন ওয়েবসাইট

আধুনিক বিশ্বে সবাই

প্রতিযোগিতা শুরু
করে দিয়েছে কার কয়টি
ওয়েবসাইট?কার ওয়েসাইটের
জনপ্রিয়তা বেশী?কার
ওয়েবসাইটের ডিজাইন নজরকারা।
সেই তুলনায় আমরা অনেক
পিছিয়ে রয়েছি।আমাদের
অবস্থা ঠিক এরকম যে-
কে কে ইন্টারনেট ব্যবহার
করতে পারে?ফেসবুকে কার কার
ফ্রেন্ড সংখ্যা বেশী?যাই হোক
এটা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
সাপোর্ট ছাড়াই আমরা বহুদুর
এগিয়ে রয়েছি।আমাদের জ্ঞানী-
বুদ্ধিমান তরুন-
যুবকরা নিজে নিজেই অনেক দুরের
পথ পাড়ি দিয়েছে ইতিমধ্যেই।
তারা নির্মান করেছে বহু
ওয়েবসাইট ,ব্লোগ,সামাজিক
যোগাযোগের ওয়েবসাইট।
ওয়েবসাইট
তৈরি করতে হলে তো ডোমেইন-
হোস্টিং এর প্রয়োজন রয়েছে।
কিন্তু যারা নতুন অথবা যাদের অর্থ
কম তাদেরও তো ইচ্ছে হয় নিজের
একটি website নির্মান করার তাই
না?তাদের জন্যই এই প্রতিবেদনটি।
এই প্রতিবেদনে বিশ্বের জনপ্রিয়
কিছু
ফ্রি হোস্টিং সেবাদানকারী
প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট
নিয়ে আলোচনা করা হবে।
যেগুলোতে একজন
ব্যবহারকারী ফ্রিতে ওয়েবসাইট
তৈরি করে ব্যবহার করতে পারবে।এ
ক্ষেত্রে যারা নতুন তাদের জন্য
ফ্রিতে হোস্টিং নিয়ে ধারনা
লাভ করাই বেশী ভাল এরপর hosting
কিনে নির্দিষ্ট লক্ষ নিয়ে কাজ
করা উচিত।
যাইহোক শীর্ষ কিছু free hosting
সেবাদানকারী সাইটের
ঠিকানা আপনাদের দেব
আপনারা এখান থেকে ভালমন্দ
খুজে নিয়ে তৈরি করুন নিজের
জন্য একটি ফ্রি ওয়েবসাইট।
জনপ্রিয় হোস্টিং প্রভাইডারগুলি:
#weebly.com ওয়েবলি একটি free
hostingসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।
প্রায় ১২ লক্ষেরও বেশী মানুষ এই
সেবাটি ব্যবহার করে।এর অনন্য
সুবিধা হল এতে ড্রাগ এবং ড্রপ
পদ্ধতি ব্যবহার করে খুব সহজেই একজন
ব্যবহার কারী ওয়েবসাইট
বানাতে পারে।ওয়েবলির নিজস্ব
ওয়েবসাইট থিম ব্যবহার করা যায়।
#wix.com এটাতেও ওয়েবসাইট
ফ্রিতে হোস্টিং করানো যায়।
প্রায় ২৬ লক্ষেরও বেশী মানুষ এই
সেবাটি ব্যবহার করে।বহু
ব্যবহারকারী প্রতিদিন এতে যুক্ত
হচ্ছে।
#ooowebhost.com এরা সাধারনত ১.৫
গিগাবাইট ডিস্ক স্পেস
দিয়ে থাকে এবং ১০০ গিগাবাইট
ট্রাফিক
দিয়ে থাকে প্রতিটা ফ্রি
একাউন্টের জন্য।তাদের
দেয়া ফ্রি একাউন্টেই ৯৯%
আপটাইম পাওয়া যায়।
তারা চলে আসছে সুদীর্ঘ ৫ বছর
ধরে।
#edublogs.org এটিও দারুন
একটি সেবা।এটি প্রকৃতপক্ষেই
ফ্রি এবং ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য
এটা বিশেষভাবে তৈরি।তাদের
প্রায় ১.৬ লক্ষ ফ্রি ব্লগস রয়েছে।
তারা প্রায় ৩২ গিগাবাইট
ফ্রি স্টোরেজ দিয়ে থাকে।২০০৫
সাল থেকে তারা চলে আসছে।
#freehostia.com প্রায় ৫ বছরেরও
বেশী সময় থেকে তারা free hosting
সেবা দিয়ে আসছে।তারা ৯৯.৯%
আপটাইম গ্যারান্টি দিয়ে থাকে।
ফ্রি হোস্টিয়া ২৫০ মেগাবাইট
ডিস্ক স্পেস এবং ৬ গিগাবাইট
মাসিক ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকে।
#webs.com ফ্রি হোস্টিং গুলোর
মধ্যে ওয়েবস খুবই সহজভাবে ড্রাগ
এবং ড্রপ পদ্ধতি ব্যবহার
করে ওয়েবসাইট তৈরি করতে দেয়।
প্রায় ৩০ সেকেন্ড এর মত
সময়ে সাইনআপ এবং প্রায়
ঘন্টাখানেকের মত সময়ের ভেতরেই
সাইট সেটআপের কাজ করা যায়।
তারা ব্যবহারকারীকে বেশ
সুবিধাই দিয়ে থাকে বলা চলে।
#5gbfree.com এরা ২০ গিগাবাইট
ফ্রি ডিস্কস্পেস সুবিধাসহ মাই এস
কিউ এল ডাটাবেজ এবং পি এইচ
পি স্ক্রিপ্টিং সুবিধা দিয়ে
থাকে।তারা ব্যবহারকারীর
সাইটে এড দেয় না।
তারা ব্যবহারকারীকে সি
প্যানেল পুরোপুরি উন্মুক্ত
করে দেয়।
#jimdo.com ২০০৭ সাল
থেকে চলে আসছে।প্রায় ৭ লক্ষ
সাইট তাদের পদ্ধতি ব্যবহার করছে।
এখানে শুধু সাইনআপ করে,ইমেইল
কনফার্ম করে,একটি টেমপ্লেট
বাছাই করেই সাইট
তৈরি করা যায়।
#freehosting.com এরা ১০০% free
hosting সুবিধা দিয়ে থাকে।
তারা ফ্রি ওয়েব টুল
সেবা দিয়ে থাকে যা দিয়ে
ব্যবহার কারী খুব সহজেই সাইট
তৈরি করে অনলাইনে চালাতে
পারে।তারা তাদের ওয়েব
হোস্টিং একাউন্টে এফ
টি পি,সি জি আই,পি এইচ
পি ৫,মাই এস কিউ এল,পাইথন,আর ও
আর,সি আর ও এন এবং file manager
পদ্ধতি ব্যবহার করতে দেয়।
#snappages.com এদের রয়েছে ড্রাগ
এবং ড্রপ ওয়েবসাইট নির্মান
পদ্ধতি।সহজ ব্যবহার পদ্ধতি।
৫টি আলাদা পেজ
এবং পুরো কাস্টমাইজেবল
ওয়েবসাইট।খুব বেশী কিছু
না জেনেও খুব সহজেই সাইট
তৈরি করা যায়।
#zymic.com এদের
ফ্রি হোস্টিং একাউন্টে ১০
মেগাবাইট ডিস্কস্পেস এবং ২
গিগাবাইট ব্যান্ডওয়াইথ
ট্রান্সফার পাওয়া যায়।এদের কিছু
বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এরা ফ্রি সেবা দিয়ে থাকে।
#110mb.com তাদের
ফ্রি হোস্টিং সেবাতে ১১০
মেগাবাইট ডিস্কস্পেস এবং ১০০
গিগাবাইট ব্যান্ডওয়াইথ
ডাটা ট্রান্সফার পাওয়া যায়।
তাদের রয়েছে ফ্রি সাইট
নির্মানের ব্যবস্থা।সাপোর্টের
ব্যবস্থা রয়েছে।
#freehostingeu.com এরাও
মোটামুটি ভালই
ফ্রি হোস্টিং সেবা দিয়ে
থাকে।তারা তাদের প্রত্যেক
ফ্রি ব্যবহারকারীকে ২০০
মেগাবাইট ফ্রি স্টোরেজ
এবং ৪০০০ মেগাবাইট
ডাটা ব্যান্ডওয়াইথ ট্রান্সফার এর
সুবিধা দিয়ে থাকে।
এখানে ওয়ার্ড প্রেস
এবং জুমলা ব্যবহার করা যায়।
#zettahost.com এরা ১০০০ মেগাবাইট
ফ্রি ডাটা স্টোরেজ সুবিধা ৫
গিগাবাইট ব্যান্ডওয়াইথ
ডাটা ট্রান্সফার সুবিধা দেয়।
পি এইচ পি , মাই এস কিউ এল ব্যবহার
করা যায় ।প্রতিটা একাউন্টের
ক্ষেত্রে একটা ডোমেইন
পাওয়া যায়।
#x10hosting.com
এটি একটি ফ্রি হোস্টিং
প্রভাইডার।এখানে পি এইচ
পি ৫,মাই এস কিউ এল ইত্যাদির
ব্যবহার করা যায়।ব্যবহার
পদ্ধতি সহজ।
জনপ্রিয় ২৪
টি হোস্টিং প্রতিষ্ঠানের ওয়েব
ঠিকানা পেতে এখানে ক্লিক
করুন।
তাহলে উপরোক্ত
সাইটগুলো থেকে বেছে নিন
আপনার কোনগুলি পছন্দ এবং ইচ্ছেমত
তাদের নির্দেশমত সাইট
তৈরি করুন।লিস্টে কোন
সমস্যা থাকলে জানাতে
ভুলবেননা।ধন্যবাদ।

সোমবার, ২ মার্চ, ২০১৫

এসএটি (SAT) পরীক্ষার বিস্তারিত সব কিছু পিডিএফ বই সহ

স্যাট / এসএটি (SAT) কি?

আমেরিকান
আন্ডারগ্র্যাজুয়েট
প্রোগ্রামে ভর্তি হতে গেলে আপনার
এসএটি (বা স্যাট)
দেওয়া থাকতে হবে।
এসএটি’র স্কোরের উপর
ভিত্তি করে ভর্তির
সিদ্ধান্ত এমনকি ফান্ডিংও
হতে পারে। আমেরিকায়
আন্ডারগ্র্যাজুয়েট
লেভেলে ফান্ডিং খুব
একটা হয় না,
তবে একেবারেই যে হয়
না তা নয়।
ভালো এসএটি স্কোর,
জিপিএ এবং রেকমেন্ডেশন
ও অ্যাকটিভিটিজ রেকর্ড
থাকলে আপনি ভালো কলেজে সম্পূর্ণ
বৃত্তি নিয়েও পড়তে পারেন।

SAT পরীক্ষা কখন হয়? 


বছরের নির্দিষ্ট কিছু
সময়ে এসএটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হয়ে থাকে। যেমন- ২০১৫
সালের এসএটি পরীক্ষার
তারিখগুলো হচ্ছে ২৪’ই
জানুয়ারি, ১৪’ই মার্চ,
২’রা মে, ৬’ই জুন।
এসটি পরীক্ষা কত
নাম্বারে হয়?
স্যাট পরীক্ষায় মোট নাম্বার
২৪০০. প্রতিটি সেকশনে ৮০০
নম্বর।

পরীক্ষার ক্রেন্দ্র সমূহ-



বাংলাদেশে তিনটি জায়গায়
এসএটি পরীক্ষা হয়ে থাকে।
যেমন-
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
ঢাকা
Plot 80, Block E, Bashundhara R/A, (Opposite
Apollo Hospital), Dhaka-1229,
BangladeshPhone: (88 02) 8401101-7,
8402878Mob: 01819231100,Fax: (88 02)
8401622
Email: info@isdbd.org
Website: www.isdbd.org
চিটাগাং গ্রামার
স্কুল
321/11 Sarson Road, Chittagong, Bangladesh.
Tel: 88-031-622472. Fax: 88-031-632001.
Email: cgs.upper@gmail.com
গ্রীণ ডেল
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
Address: House#8, Road#83, Gulshan-2,
Dhaka
Phone- +88029894088
Web: http://www.greendaleschool.net

SAT পরীক্ষার প্রশ্ন কি রকম হয়?


এসএটি পরীক্ষায় মোট
৩টা প্রধান সেকশন থাকে।
যেমন – ম্যাথমেটিকস সেকশন,
ক্রিটিকাল রিডিং সেকশন
এবং রাইটিং সেকশন।

১) ম্যাথমেটিকস সেকশন: এই
অংশে অধিকাংশ প্রশ্নই
এমসিকিউ ধরণের। প্রতিটি ভুল
উত্তরের জন্য নাম্বার
কাটা যাবে। সাইন্টেফিক
ক্যালকুলেটর ব্যাহার
করা যাবে। এই
সেকশনে ৩টা সাব-সেকশন
আছে -
সেকশন-১: শুরুতেই
যে সেকশন
আসবে এখানে আপনাকে ১০
টি গ্রিড-ইন টাইপ প্রশ্ন
(অংক
করে খালি ঘরে উত্তর
লিখতে হবে) আর ৮
টি এমসিকিউ প্রশ্নের
উত্তর করতে হবে। মোট
১৮টি প্রশ্ন ২৫
মিনিটে সমাধান
করতে হবে।

সেকশন-২: এমসিকিউ
ধরণের প্রশ্ন আসবে।
আপনার কাজ
হবে সঠিক
উত্তরটি বাছাই করা।
২০ টি প্রশ্নের
বিপরীতে সময় বরাদ্দ
থাকবে ২০ মিনিট।

সেকশন-৩: গণিত
অংশের সবশেষ
ধাপে ১৬টি মাল্টিপল
চয়েজ ধরণের প্রশ্ন
থাকবে।
যেগুলো উত্তর করার
সময় সময়
পাওয়া যাবে ২০
মিনিট।

২) ক্রিটিকাল
রিডিং সেকশন:
ক্রিটিকাল
রিজনিং অংশে তিনটি আলাদা বিভাগ
আছে যার মধ্যে প্রথম
দুইটা সেকশনে ২৫ মিনিট
করে এবং শেষ সেকশনে ২০
মিনিট করে সময় বরাদ্দ
থাকবে। এক ঘন্টা দশ
মিনিটের এই সেকশনে মোট
৪৮টি প্রশ্নের উত্তর
করতে হবে।
সেকশন-১: Reading
Comprehension অংশ
থেকে ১৯টি এবং ৫টি Sentence
Completion (শূন্যস্থান পূরণ)
টাইপ প্রশ্ন থাকবে

সেকশন-২: Sentence Completion
অংশ
থেকে ৮টি এবং Reading
Comprehension থেকে ১৬
টি মাল্টিপল চয়েজ
প্রশ্ন আসবে।
Sentence Completion
Reading Comprehension

সেকশন-৩: Sentence Completion
অংশ
থেকে ৬টি এবং Reading
Comprehension থেকে ১৩
টি মাল্টিপল চয়েজ
প্রশ্ন আসবে।
তবে আগের
দুইটি সেকশনের
তুলনায় ৫মিনিট
কমিয়ে ২০ মিনিট সময়
দেওয়া হবে।

৩)
রাইটিং সেকশন: রাইটিং অংশে প্রথম
দুইটি সেকশনে ২৫ মিনিট
করে এবং শেষ অংশে ২০
মিনিট সময় দেওয়া হবে। এই
অংশে আবার তিনটি ধাপ
আছে। যেমন-
সেকশন-১: কোন
একটি টপিকের
(বিষয়বস্তুর) উপর
আপনাকে একটি রচনা লিখতে হবে।
যার জন্য ২৫ মিনিট
সময় বরাদ্দ থাকবে।
সেকশন-২:
 এখানে Sentence Error
Correction (বাক্যের ভুল
শুদ্ধ
করা) থেকে ১১টি ,
Sentence Error Identification
(বাক্যের ভুল খুঁজে বের
করা)
 ১৭টি এবং Improving
Paragraph
(প্যারাগ্রাফের
 থেকে ৬টি প্রশ্নে আসবে।
Sentence Error Identification
Sentence Error Correction
Improving Paragraph
সেকশন-৩:
এখানে ১০মিনিট
সময়ের মধ্যে ১০
টি বাক্যের ভুল শুদ্ধ করা।

স্যাট-২ (SAT -2) 

যেসকল শিক্ষার্থী বিজ্ঞান
এবং প্রকৌশল বিষয়
নিয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী তাদের
জন্য স্যাট-২ দরকার। আমেরিকান
সেন্টারের মতে,
‘বিদেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়
আছে,
যারা অর্থনৈতিকভাবে শিক্ষার্থীদের
সহায়তা করে থাকে।
যা আমরা স্কলারশীপ
বা বৃত্তি নামে জানি। এই
বৃত্তি যে কেউ সহজেই
পেতে পারে। এজন্য
তাকে স্যাট-১ এর
পাশাপাশি স্যাট-২ পরীক্ষাও
দিতে হবে। স্যাট-২
বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা।
এতে মোট আটটি বিষয় থাকে।
বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে-
পদার্থবিদ্যা, জীববিজ্ঞান,
রসায়ন, গণিত এর
মধ্যে থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের
পছন্দমতো দুই-তিনটি বিষয়
নির্বাচন করে সেসব বিষয়ের
উপর পরীক্ষা দিবে। স্যাট-১ ও
স্যাট-২-এর পরীক্ষা কাগজ-
কলমে নেওয়া হয়।
এখানে কম্পিউটারের
মাধ্যমে পরীক্ষা দেওয়ার
কোনো ব্যবস্থা নেই। প্রত্যেক
বিষয়ের পরীক্ষার সময় ১.০০
ঘন্টা।

প্রস্তুতি এবং নিবন্ধন 

  

এ পরীক্ষায়

অংশগ্রহণের জন্য ন্যূনতম

১২ থেকে ১৮ মাস

আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ

করা শুরু করতে হবে।

বাসায় নিয়মিত

বেশি বেশি ইংরেজি পড়া,

লেখা ও শোনার

মাধ্যমে চর্চা করতে হবে।

স্যাট পরীক্ষার জন্য

ইংরেজি শব্দভাণ্ডার

যথেষ্ট

শক্তিশালী হওয়া চাই।

এ জন্য প্রতিদিন নতুন

শব্দ শেখা ও

তা চর্চার অভ্যাস

করতে হবে।

গণিত বিষয়ের

প্রতি অধিক মনোযোগ

দিতে হবে।

আমেরিকান

সেন্টারে মক টেস্ট

দেওয়ার

ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রস্তুতি ঝালাই

করে নেওয়ার জন্য

আমেরিকান

সেন্টারের সদস্যপদ

লাভ করে মক

টেস্টে অংশগ্রহণ

করতে পারেন।

নিজ

সংগ্রহে প্রয়োজনীয়

বই

না থাকলে আমেরিকান

সেন্টার

লাইব্রেরীতে গিয়ে পড়তে পারেন।

লাইব্রেরিতে বই

বিক্রি করা হয়।

নিবন্ধন

যাদের

ইন্টারন্যাশনাল

ক্রেডিট কার্ডের

রয়েছে তারা ঝামেলাবিহীনখভাবে অনলাইনের

মাধ্যমে নিবন্ধন

করতে পারবেন।

পরীক্ষার ছয় মাস

আগে থেকে এক

সপ্তাহ পূর্ব পর্যন্ত

অনলাইন

নিবন্ধনকারীরা নিবন্ধন

করতে পারে।

এছাড়া বৈদেশিক

মুদ্রা বিনিময়

সম্পাদনকারী যেকোনো ব্যাংকের

মাধ্যমে ব্যাংক

ড্রাফট করে নিবন্ধন

করা যায়। ব্যাংক

ড্রাফটের

মাধ্যমে নিবন্ধনকারীরা পরীক্ষার

ছয় মাস

আগে থেকে চার

সপ্তাহ পূর্ব পর্যন্ত

নিবন্ধন করতে পারে।

স্যাট-১ এর নিবন্ধন

ফি ৭১ ডলার

স্যাট-২ এর নিবন্ধন

ফি নির্ধারিত হয়

নির্বাচিত বিষয় এর

উপর ভিত্তি করে। এক

বিষয় ৫৫ ডলার, দুই

বিষয় ৬৪ ডলার

এবং তিন বিষয় ৭৩

ডলার।

পরীক্ষার্থীদের

অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট

থাকতে হয়।

বই গুলা দিলাম কস্ট করে কিনতে হবে না.. ডাউনলোড করে নিও
book- 1- https://www.dropbox.com/sh/4vcixgx6ocop6ru/AAC0uiZ2xA45i9q4PjE3x_4wa/Barron's%20SAT%202400.pdf?dl=0

book-2-
https://www.dropbox.com/sh/4vcixgx6ocop6ru/AAD86P1auTQAeCXfKfXOIi5ya/WORDS%20SMART.pdf?dl=0
৮ম -১০ম শ্রেণীর গণিত...

শাওন সিকদার, ঢাবি

কম্পিউটার শেখার ১৬ টি বাংলা বই একদম ফ্রি

বাংলাদেশে কম্পিউটার
ব্যবহারকারী সংখ্যা দিন দিন
বৃদ্ধি পাচ্ছে। কম্পিউটার ব্যবহার
করার আগে কম্পিউটার
সম্পর্কে ভালভাবে জানা জরুরী।
কম্পিউটার
ভালভাবে শিখতে হলে দরকার
ভালো কোচিং অথবা বই
দেখে শেখা। কম্পিউটার শেখার
বেশির ভাগ বই ইংরেজিতে হওয়ায়
আমাদের শিখতে অসুবিধা হয়।
আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার
করি তাদের জন্য কম্পিউটার শেখার
১৪টি বাংলা বই ডাউনলোডের
লিংক দিচ্ছি।ডাউনলোড এর জন্য ক্লিক করুন

বই গুলো হচ্ছেঃ
১. ফান্ডামেন্টাল অফ কম্পিউটার
২. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
৩. এক্সেল
৪. পেন্ট
৫. এক্সেস
৬. এডোব ফটোশপ
৭. ম্যাক্রোমিডিয়া ফ্লাশ
৮. অটোকাড
৯. ইলাস্ট্রেটর
১০. ইন্টারনেট এন্ড ইমেল
১১. জুমলা
১২. Html
১৩. Php
১৪. Quark Express
১৫. কম্পিউটার জাদুকর
১৬. কম্পিউটার পারফমেন্স