শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৫

০ x infinitely =0 এটা অসংগায়ীত নয়

গত পোস্টে বলেছিলাম হকিং এবং ডারউইন কিভাবে তেনা পেচীয়েছিলেন। নাস্তিকরা বলছে ০ থেকেই সব কিছু হয়েছে। আমি প্রমাণ করে দিয়েছি যে, ০ থেকে কোনদিনই কিছু হয় না। এবং 0 X infinity = 0

যাই হোক এখন কথা  হলো নাস্তিকরা যে গণিতের
প্যাচে ফেলে মানুষকে বুঝাচ্ছে যে শুন্য থেকেই সব
কিছু হয়েছে সেই গণিত টা আজকে আমি ব্যাখ্যা
করব এবং বুঝিয়ে দেব যে নাস্তিকরা ভূল।

তারা বলে যদি ১ X 0 = 0 হয় তাহলে  ১ = 0/0

আবার ২ X 0 = 0 হয় তাহলে  ২= 0/0
তাহলে কি দাড়ায় ১=0/0 এবং ২= 0/0
অতএব ১=২ যা কোনদিনই হতে পারে না।
এইটা দিয়ে তারা বুঝাতে চাইলো যে 0 X infinity = অসংগায়ীত বা অনির্ণেয়।

এখন আসুন
৬=৬
৩ x ২ = ৬
৩ = ৬/২
৩=৩
অথবা এইভাবে আসুন  ৩ x ২ = ৬ বা  ২= ৬/৩
বা ২=২
এখন আমরা জানি ২= ২ বা ৩= ৩ উভয়েরই নিচে একটা করে ১ আছে মানে এইরকম ২/১=২/১
এখন যদি আড়্গুণন করে তাহলে কি হবে?  ২ *১ =২*১ বা ২=২

এখন ওদের টাতে চলে যাই।,
ওরা যে ১ x ০ = ০ থেকে ১ = ০/০ পাইলো
কেন আমরা তো এখান থেকে ০ = ০/১ ও পাই
০/১ মানে কি অবশ্যই শুন্য..  :)

এখন আর একটু দেখি ওরা কিভাবে  চালাকী করল
১=০/০ গণিত কি এখানেই শেষ???
আমরা জানি কোন স্থানে বা কোন কিছুতে যদি কিছুই না থাকে তাহলেই তাকে আমরা শুন্য বলি।
ধরুন আপনি মাঠে গেলেন ক্রিকেট খেলতে ১ টা রানও করতে পারলেন না মানে ০ রান করলেন।
স্কোর বোর্ডে আপনার রানের পাশে ০ ই থাকবে ১০০ বা ২০০ থাকবে না।  ০ এর মান মানেই কিছুই না।  যদি তাই না হতো তাহলে তো আমি আপনাকে  ০ টাকা দিয়ে মানে টাকা না দিয়েও টাকা
চাইতে পারতাম তাই না।

যাই হোক ০ এর মান তারমানে কিছুই না।
এরজন্যই আমাদের ১=০/০ কে নিয়ে আর একটু
আগাতে হবে।
এখন ১=০/০ কে আড়্গুণন করুন তো..
কি হয়?? ১*০ =১*০ মানে ০=০ :)

০ মানে কেবলই ০।  হাতি, ঘোড়া, ছাগল বা আপনাদের ইনফিনিটি যাই গুন করুন না কেন
মান ০ ই হবে মানে ০ থেকে কিছুই হয় না
ধন্যবাদ সবাইকে

শুন্য (০) X ইনফিনিটি , আল্লাহ এর অস্তিত্ব এবং স্টিফেন হকিংয়ের এবং ডারউইন এর ভূল....

প্রথমেই বলি স্টিফেন হকিং আমার চেয়ে
অনেক অনেক বেশী মেধাবী , এ যুগের সবচেয়ে প্রতিভাবান। আমি যা বলব তা সম্পূর্ণ আমার মতামত। যদি ভালো লাগে গ্রহণ করবেন আর
যদি ভালো না লাগে ইগনর করে যাবেন।

শুন্য (০) আসলে কিছুই না। শুন্য বলতে আসলে
কি বুঝি? কোন জায়গায়তে বা কোন কিছুতে
যদি কোনরকম উপাদান, সংখ্যা বা পরিমাণ ইত্যাদি ইত্যাদি যদি কিছুই না থাকে তাহলে তার মান ০।
তারমানে বুঝাই যাচ্ছে ০ মানে ০ ই।

তাহলে আমরা এই সামান্য সংখ্যাকে নিয়ে কেন এতো মাতামাতি করি?

আসলে ০ এর ব্যাবহার ব্যাবিলিয়নে হলেও তারা
একে আলাদা সংখ্যা হিসেবে মর্যাদা দিতে পারেন
নাই। পরে আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশ থেকেই
এই ০ কে আলাদা সংখ্যা হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। যাই হোক, এটা নিয়ে মাতামাতি এর কারণ একটাই - নাস্তিকরা মনে করেন এই শুন্যে থেকেই
সব কিছুরই  জম্ন বা সৃষ্টি।

যে যতই ০X ইনফিনিটি  বা এর চাইতেও আধুনিক
বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দিক না কেন আমি বলব
০ এর সাথে পুরা দুনিয়া কে গুন করলে তার মান
০ ই হবে।
যাই হোক ০ X ইনফিনিটি এর একটা কথা আছে।
পুরা দুনিয়ার সব কিছু তো আর একত্রে গণণা করা সম্ভব নয় তাই আমরা একে ইনফিনিটি বা অসীম
বলতেই পারি। ০ দিয়ে কোন বাস্তব সংখ্যা কে গুন করলে সেটা ০ হয়ে যায়। কিন্তু ∞(ইনফিনিটি)  কোন বাস্তব সংখ্যা না। এটি extended real
numbers line এর একটি অংশ তাই, ∞ কে ০ দিয়ে গুন করলে কি হবে সেটা আমরা বলতে পারি না..তাইতো...
আচ্ছা এইবার আসেন সহজে ব্যাখ্যা দেওয়ার
চেষ্টা করি। (1*2) মানে আসলে কী? 1 কে 2 বার কাউন্ট করে যোগ করা (=2) বা 2 কে 1 বার কাউন্ট করে যোগ করা (=2). এটাই গুণের মূলনীতি।
এইবার দেখেন, (1*0) মানে কী? বলা যায়, 0 কে 1 বার কাউন্ট করে যোগ করা (=0) অথবা 1 কে 0 বার কাউন্ট করে যোগ করা। 0 বার কাউন্ট করা
মানে কী? আমি সংখ্যাটাকে কাউন্ট-ই করি নাই! অর্থাৎ যোগফল নাই, কাজেই যোগফল 0। এবার
তাহলে আসি (0*∞) তে। এর মানে কী? 0 কে ∞ সংখ্যক বার, অর্থাৎ অসীমবার কাউন্ট করে যোগ করা। তা ভাই 0 কে যতবার-ই যোগ করেন
না কেন, যোগফল 0-ই হবে, ∞ হবে না। :)

অন্যভাবে ভাবেন, ∞ হলো out of reach সংখ্যাগুলার প্রকাশক একটা সাইন, এটা নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা না। তথাপি ∞ এর অন্তর্ভূক্ত ∞ সংখ্যক সংখ্যার (যেকোনো out of reach
সংখ্যার জন্য এটা সত্য) 0 বার কাউন্ট করে যোগ করা। আরে ভাই, ০ বার কাউন্ট করা মানে কি?  মানে কাউন্টই করলাম না, যোগফল আসবে কোত্থেকে?! কাজেই ফলাফল আণ্ডা! আই মিন 0. .অর্থাৎ 0 এর সাথে 2, 2 কোটি, ∞, হাতি- ঘোড়া যাই গুণ করা হোক না কেন, ইকুয়ালস টু 0।

অনেকে বলবেন Limit ছাড়া ইনফিনিটি কে প্রকাশ করাই যাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। ভাই লিমিট কিছুই
না এই লিমিট সৃষ্টিই হয়েছিল অনেক সত্য ডাকার জন্য। উপরের যুক্তি দেখুন অবশ্যই প্রমাণ পাবেন
০X ইনফিনিটি, হতি,  ঘোড়া ছাগল যাই বলুন না কেন তার মান ০ ই হবে। আপনি যদি বলেন
ইনফিনিট হলো অসংগায়ীত।  তাহলে ওই অসংগায়ীত কেও যদি ০ বার কাউন্ট করে যোগ
করেন তার মান ০ ই হবে।

আমার কথা , আমরা জানি শুন্য থেকে কিছুই সৃষ্টি হওয়া অলৌকিক । হকিং তার Quantum Fluctuation তত্ত্বে কিভাবে শুন্য থেকে একটি বস্তুকণা
তৈরি হয় তা বুঝিয়ে দিয়েছেন । তবে সবচেয়ে হাস্যকর ব্যপারটা হলো তিনি এই তত্ত্বে বলেছেন
“বস্তুকণা একেবারে শুণ্য থেকে নয় বরং আপাত শুণ্য থেকে সৃষ্টি হয়েছে ।” এখানে আপাত মানে
একেবারে শুণ্য নয় , কিছু না কিছু আছে । তাহলে কি আছে ওখানে ?আর ওটা এলই বা কি করে ? কে
সৃষ্টি করেছে এটা ? এটাই কি ঈশ্বর ?
.
আচ্ছা এখন আসুন ধরি ওখানে কিছুই ছিলনা । যদি একবারেই শুন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয় তবে এটা
অলৌকিক । এখন যদি তা অলৌকিকই
হয় তবে এটা সাধারণ বিজ্ঞানকে সাপোর্ট না করেই কাজ করতে পারে । তাই অবশ্যই এটি কারও
দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে । আর তিনি কে ? তিনি কি ঈশ্বর ?
.
.ধরলাম এটা অলৌকিক নয় তাহলে একটা বস্তু থেকেই পরিবর্তিত হয়ে প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে .{স্টিফেন হকিংয়ের মতানুযায়ী} । সমাজ
বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন তার বিবর্তনবাদ নামক এক ধোকাবাজী দিয়ে আমাদের বিভ্রান্তের
মাঝে ফেলে দিয়েছে । সেইখানে উল্লেখ আছে যে মানব সমাজ এসেছে সকলের পর । আমরা
জানি প্রাণের মূল হলো এমাইনো এসিড , যা এখন ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হচ্ছে । বহুকাল আগে
নাকি নিম্ন পর্যায়ের ক্ষুদ্র জৈব যৌগের মাঝে বিক্রিয়ার ফলে প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে । এতে
নাকি মহান আল্লাহর হাত নেই {নাউজুবিল্লাহ} । তাই যদি হয়ে তবে জৈব যৌগ থেকে প্রত্যেক
প্রাণীর পুং ও স্ত্রী জাত কিভাবে সৃষ্টি হলো ? ঝড়ে বক পড়ে এটা সবাই জানি তাই বলে সব
ঢিলেই বক পড়বে এটা বিশ্বাস করা আর মোরগের ডিম খাওয়ার স্বপ্ন দেখা একই ব্যাপার । সুতরাং
বিবর্তনবাদে প্রাণ সৃষ্টি হয়নিতবে আল্লাহ সব কিছু সৃষ্টি করেছেন।

তাহলে অবশই সৃষ্টিকর্তা আছেন .আবার বিগ ব্যাং এ বলা হয়েছে এক বিন্দু থেকে সকল কিছু
বিস্ফোরিত হয়ে দুরে সরে গেছে । ধরলাম তার কথা সত্যি {বাস্তবেও বিগ ব্যাং সত্যি । পবিত্র কুরআনে
এর ইঙ্গিত আছে । তবে সেখানে উল্লেখ করা আছে যে আল্লাহ সয়ং তা সম্পন্ন করেছেন} । তাহলে শুন্য বস্তু থেকে কি করে কিছু বিস্ফোরিত হয় ? যদি মাঠে কোন ফসল না থাকে তবে ছাগলে ফসল
খাওয়ার কথাই আসেনা ।তাই অবশ্যই সেই বিন্দুতে কিছু বস্তু থাকতে সবে । শুধু তাই নয় উত্স বিন্দুতে
বিস্ফোরক কিছু থাকতে হবে কারণ বিস্ফোরণের জন্য বিস্ফোরক।থাকাটা জরুরী ।
যদি তাই হয় তবে ঐ উত্স বস্তু এবং ঐ বিস্ফোরক এলো কোথা থেকে ? নাকি স্টিফেন হকিং এবার
বলবেন যে ঐ বস্তুটাও নিজেই একবার বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে ।
.
ঐ বস্তু সৃষ্টিতে নিশ্চয় একজন স্রষ্টার হাত রয়েছে ।
তিনি ই কি ঈশ্বর ?

হকিং তার বইয়ের শেষে একটা
বাক্য লিখেছেন । বাক্যটি এরুপ:
‘WHEN I CAN KNOW ALL ABOUT THE CREATIONS ,
I WILL BE ABLE TO UNDERSTAND ABOUT THE MIND OF GOD
‘.
“যখন সৃষ্টির বিষয়ে আমি সবকিছু
জানতে পারব তখনই আমি ঈশ্বরের মন
বুঝতে সক্ষম হবো”।

কথাটিতে একটু প্যাঁচ রেখেছেন তিনি । এটা নিয়ে সকলের একটু মতভেদ আছে । তবে আসল কথাটা
হলো তিনি বলেছেন যে .সৃষ্টির বিষয়ে জানলেই ঈশ্বরের মন বুঝতে পারব । এখানে মন অর্থ ইচ্ছা বা
উদ্দেশ্য । তারমানে হকিং বিশ্বাস করেন যে সৃষ্টিকর্তা
আছেন অথচ তিনি কে এটা খুঁজে পাননি । এটা তার জন্য দুর্ভাগ্যের বিষয় । আবারও বৈজ্ঞানিক
যুক্তিতে প্রমাণ করলাম যে সৃষ্টিকর্তা আছেন , ছিলেন এবং থাকবেন ।

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৫

জাকির নায়েকের যাবতীয় বাংলা বই (35 টি)

জাকির নায়েক বর্তমান যুগে ইসলামের অন্যতম দাঈ। তিনি কুরআন ও সুন্নাহর দাওয়াত প্রচার
করছেন একই সাথে মুসলিম ও অমুসলিমদের মাঝে। তার লেকচারগুলো বাংলা ভাষায়
প্রকাশ হয়েছে। সেই সাথে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বইও বাংলা ভাষায় প্রকাশ
হয়েছে। এগুলোর অনেক গুলো পিডিএফ আকারে প্রকাশিত হয়েছে। সেই সব বইগুলো একই পোস্টে নিয়ে আসার চেষ্টা
করছি। বইগুলো বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ  করেছি।  সেই বইগুলো মধ্যে অনেকগুলোতেই ইন্টারেকটিভ লিংক ব্যবহার করা নেই। আমরা চেষ্টা করেছি। সেগুলোতে
ইন্টারেকটিভ লিংক দিয়েছি। সেই সাথে যেগুলো বইয়ে সূচিপত্র নেই সেগুলো বইতে
সূচিপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু আমরা তাঁদের ওয়েব সাইটের ঠিকানা অপরিবর্তিত
রেখেছি। যেগুলো বই প্রকাশ হয় নি বা পিডিএফ নেই।
যেসব বই প্রকাশিত
হয়েছে সেগুলো হল:
1) বিভিন্ন ধর্মে আল্লাহ
সম্পর্কে ধারণা
2) ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের
সাদৃশ্য
3) ইসলামের উপর ৪০টি
অভিযোগ ও তার প্রমাণ
ভিত্তিক জবাব
4) ইসলামে নারীর
অধিকার সেকেলে না
আধুনিক
5) ইসলাম সম্পর্কে
অমুসলিমদের আপত্তির
জওয়াব
6) আল কুরআন ও আধুনিক
বিজ্ঞান
7) কুরআন কি আল্লাহর বাণী
8) ইসলাম সম্পর্কে
অমুসলিমদের কিছু
সাধারণ প্রশ্নের জবাব
9) মানব জীবনে আমিষ
খাদ্য বৈধ বা নিষিদ্ধ
10) ইসলামের কেন্দ্রবিন্দু
11) সন্ত্রাসবাদ এবং জিহাদ
12) বিশ্ব ভাতৃত্ত্ব
13) কেন ইসলাম গ্রহণ করছে
পশ্চিমারা ভার্সন এক
ভার্সন দুই
14) সন্ত্রাসবাদ কি শুধু
মুসলমানদের জন্য প্রযোজ্য
15) বিজ্ঞানের আলোকে
বাইবেল ও কুরআন
16) সুদ মুক্ত অর্থনীতি
17) সালাত: রাসুলুল্লাহ (সা)
এর নামায
18) ইসলাম ও খৃষ্ট ধর্মের সাদৃশ্য
19) ধর্ম গ্রন্থসমূহের আলোকে
হিন্দু ধর্ম এবং ইসলাম
20) আল কোরআন বুঝে পড়া
উচিত
21) চাঁদ ও কুরআন
22) মিডিয়া এবং ইসলাম
23) সুন্নাত ও বিজ্ঞান
24) পোশাকের নিয়মাবলী
25) ইসলাম কি মানবতার
সমাধান ?
26) বিভিন্ন ধর্মেগ্রন্থে হযরত
মুহাম্মদ (সা.)
27) ইসলাম ও সেকিউল্যরিজম
28) যিশু কি সত্যিই ক্রুশ বিদ্ধ
হয়েছিল?
29) মুসলিম উম্মাহ’র ঐক্য
30) সিয়াম: আল্লাহ’র রাসূল
(সা) রোযা রাখতেন
যেভাবে
31) আল্লাহর প্রতি আহবান তা
না হলে ধ্বংস (
32) ঈদ ও ঈদের দিনে করণীয়
33) আমাদের জীবনের
উদ্দেশ্য কি ? ( আমাদের
সাইটে প্রথমবারের মতো
আপলোডকৃত )
34) বিষয় ভিত্তিক প্রশ্নের
জওয়াব ( জাকির নায়েক
লেকচারসমগ্র থেকে
কেটে নেয়া অংশ)
35) জাকির নায়েকের
সংক্ষিপ্ত জীবনী
সবগুলো বাংলা বই একসাথে
একটি মাত্র ফাইলে ডাউনলোড
করতে চায় তবে এখানে ক্লিক
করুন।
http://www.mediafire.com/download/
it3z552rpma2hc3/
Zakir_Naik_All_Bangla_Books_
%28WaytoJannah.Com%29.zip

সবগুলো ইংলিশ ভার্সন বই
একসাথে একটি মাত্র ফাইলে
ডাউনলোড করতে চায় তবে
এখানে ক্লিক করুন।
http://www.mediafire.com/download/
z9eiac2auda8mju/Zakir_Naik_English_Books_
%28WaytoJannah.Com_%29.rar

বিশেষ দ্রষ্টব্য : আপনার প্রতি
আহবান বইগুলো পছন্দ হলে
বাজার থেকে কিনে
নিবেন ।

বইগুলো একটা একটা করে ডাউনলোড করতে এবং বিভিন্ন সিডি ডাউনলোড করতে
এখানে ক্লিক করুন

ধন্যবাদ

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০১৫

আপনি কি কখনও শুনেছেন গণিতের সংখ্যা কথা বলে? তাও আবার আপনার মাতৃভাষা বাংলায়। শুনেন নি, তাই না?

আপনি কি কখনও শুনেছেন গণিতের সংখ্যা কথা বলে? তাও আবার আপনার মাতৃভাষা বাংলায়। শুনেন নি, তাই না? আর হয়ত বলবেন আজব,
এটা কি বলে? না, আজ আপনার সাথে এই সংখ্যাই বলবে, আর প্রমাণ করে দিবে আমরাও
বাংলায় কথা বলতে
পারি১/১১=০.০৯০৯০৯০৯… । তাহলে ১ দিয়ে ১১ কে ভাগ দিলে আমারা উত্তরটি পেলাম
০.০৯০৯০৯০৯…। এখন আপনি এই অংককে জিজ্ঞাস করেন যে, “১১ দিয়ে ১ কে ভাগ করলে উত্তর কি শূর্ণ হয়?”। অংক কি বলে দেখেন,
০.০৯০৯০৯০৯…। একটি দ্রুত ও কল্পনা দিয়ে পড়ে দেখেন, এই রকম হয় কি? “শূর্ণ দশমিক শূর্ণ নয় শূর্ণ নয় শূর্ণ নয় শূর্ণ নয় শূর্ণ নয় শূর্ণ নয়। তার
মানে হল, উত্তর শূর্ণ হয় না।

২/১১=০.১৮১৮১৮১৮… । একটু মন দিয়ে শুনুন
তো অংক কি বলে। এটি বলতেছে কি? শূন্য দশমিক এক আট এক আট এক আট এক আট…। এই কথাকে একটু মজা ও দ্রুত করে বলেন
দেখি। এই ভাবে, দশমিকএকাট্যাকাট্যাকাট্যাকাট্যাকা
ট্যাকা ট্যাকা….। কি বুঝলেন অংক আপনাকে বলছে, সে আপনার কাছে টাকা পাবে আর
সেই টাকা দিতে।

সতীন চিনেন তো? ৩০৩ আর কি!!
একটু ১১*৩০৩ গুণ করুন, কত হয়? ১১২৩।
এবার ১১২৩*৩৩৩৩=কত? বলতে পারবেন? ক্যারকুলেটর দিয়ে অংক করে বলতে পারবেন।
উত্তরটা হলঃ ৩৩৬৯ ৩৩৬৯ ৩৩৬৯।
উত্তরটা তো পেলেন। এবার আপনার অংককে জিজ্ঞাস করেন যে, ৩ আর ৩ মিলে কত হয়? তার
আগে আপনিই বলুন কত? ৬, তাই না?
হ্যাঁ, কিন্তু দেখূন এই অংক কি বলে! সে বলে যে ৩ আর ৩ নাকি ৬ নয়। কিভাবে? উত্তরটা একটু লক্ষ্য
করুন আর দেখুন, ৩৩৬৯ ৩৩৬৯ ৩৩৬৯।
দেখুন অংক বলতেছে, “তিন তিন ছয় নয়”। মানে তিন আর তিন ছয় না। তবে কত? :p

মজার শেষ পর্যায় চলে এসেছি। শেষ করার আগে আরেকটু মজা করি। ১১২৯/৯৯৯৯=০.১১২৯১১২৯১১২৯।
লক্ষ্য করুন, উত্তরটার আর অংককে
প্রশ্ন করে, “আচ্ছা তোমার ভিতরে ৫ কয়বার আছে?” সে কি
উত্তর দেয় দেখুন, ১১২৯ ১১২৯ ১১২৯।
মানে হল, এক বারো নয়, এক বারো নয়। হা……হা…..হা………
এখন আপনিই বলুন, অংকটি তাহলে কথা বলে? কি মনে হয়? আপনার মনে
হওয়াটা একটু জানান।
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ..
আল্লাহ হাফেজ
….. :D :D

Fibonacci’s series এর গোল্ডেন রেশিও দিয়ে আল্লাহহর অস্তিত্ব প্রমাণ।

Fibonacci’s series এর গোল্ডেন রেশিও দিয়ে
আল্লাহহর অস্তিত্ব প্রমাণ।

আমাদের দেশে বিখ্যাত বিখ্যাত গণিতবিদ আছেন।
যারা আল্লাহকে মানেন না। নিজেদের নাস্তিক বলে
পরিচয় দিতেই ভালো বাসেন। আজকে গণিতের
সবচেয়ে মজার বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এবং
হালকা হলেও চেষ্টা করব এটা বুঝাতে যে, আল্লাহ
আছেন,যিনি এই দু জাহানের মালিক। ০ নাম্বার টি
আমাদের উপমহাদেশেরই সৃষ্টি।  আমরা জানি ০
এর সাথে যদি পুরা দুনিয়া গুন করি তাহলে তার
মান ০ ই হবে। এরমানে কি দাড়ায়,  ০ থেকে কিছুই
হয় না। যাই হোক ০ আজকে আমার আলোচনার
বিষয় না, আজকে কথা বলল গণিতের সবচেয়ে মজার বিষয় নিয়ে-
চলেন শুরু করা যাক,

1, 1, 2, 3, 5, 8, 13, 21, 34, 55, 89 …
চেনা চেনা লাগছে? এই শ্রেণীটিকে বলা হয় Fibonacci’s series। লিওনার্দো ফিবোনাচি এই
শ্রেণীটি প্রথম আবিষ্কার করেন। এই শ্রেণীর একটা সংখ্যা পাওয়া যায় তার ঠিক আগের দুটিকে যোগ করে।যেমন, 1 + 1 = 2, 1 + 2 = 3, 3 + 5 = 8, 5 + 8 = 13 ইত্যাদি।
দেখতে এমনিতে সাদামাটা, কিন্তু মজা হচ্ছে কোন সংখ্যাকে তার আগেরটা দিয়ে ভাগ করলে
পাওয়া যাবেঃ
2/1=2.0, 3/2 = 1.5, 5/3=1.67, 8/5=1.6, 13/8=1.625,
21/13=1.615, 34/21=1.619, 55/34=1.618, 89/55=1.618
সংখ্যাদের মান যত বড় হবে, অনুপাত ততই এগিয়ে আসবে নির্দিষ্ট মানে – যেটা হল 1.618 । এই সংখ্যাটাকে বলা হয় Golden Ratio (স্বর্ণঅনুপাত)। এই সংখ্যা আমাদের জীবনে এবং চারপাশের জিনিসের সাথে এমন ভাবে জড়িয়ে আছে যে এটা কে মনে করা হয় ভগবানের সৃষ্টি।

পৃথিবীখ্যাত অনেক গণিতবিদএই মান নিয়ে গবেষণা
করেছেন । তাদের মধ্যে রয়েছেন, পিথাগোরাস,
ইউক্লিড, কেপলার, অক্সফোর্ডের পদার্থবিদ
রোজার পেনরস এবং প্রাচিন গ্রিসের অনেক বিজ্ঞানী । গোল্ডেন রেশিও মানের প্রয়োগিক ব্যবহার সবাইকে মুগ্ধ করেছে । শুধুমাত্র গনিতবিদের
কাছেই নয় এর প্রয়োগিক ব্যবহার রয়েছে জীব-বিজ্ঞান,চিত্রশিল্প, সংগীতজ্ঞ,ইতিহাসবিদ এবং
পদার্থবিদদের কাছে । ধারনা করা হয়, এই মানকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি গবেষণা করাহয়েছে(অন্যান্য যেকোনো মানের চেয়ে) ।

বিশ্বভ্রম্মান্ডের স্রষ্টা তার প্রতিটি সৃষ্টিতে এই মান
ব্যবহার করেছেন । মানুষের হৃদপিণ্ড, দৈহিক গঠন, ফুল, মাছ,গাছপালা, গ্রহ-নক্ষত্র ইত্যাদি
সবকিছুই একই মান(১.৬১৮) দ্বারা গঠিত হয়েছে ।
পৃথিবী বিখ্যাত অনেক স্থাপত্য নির্মাণে এই মান ব্যবহৃত হয়েছে এমনকি মিসরের পিরামিড তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়েছে গোল্ডেন রেশিও সংখ্যা ।
সৌন্দর্যতাত্ত্বিক ডাঃ স্টিভেন তার ২৫ বছরের
গবেষনায় প্রমান করেছেন যে,মানুষের মুখমণ্ডলের প্রতিটি অংশ এবং দেহের আকৃতি নির্মাণেও এই মান ব্যবহৃত হয়েছে ।

পৃথিবীর গোল্ডেন রেশিও মক্কায় অবস্থিতঃ
মক্কা থেকে উত্তর মেরু এবং মক্কা থেকে দক্ষিন মেরুর দূরত্বের আনুপাতিক হিসাবকরলে দাড়ায় ১.৬১৮ । যাকে বলা হয় গোল্ডেন রেশিও।

গোল্ডেন রেশিও কনজুগেইটঃ
দ্বিঘাত সহসমীকরণ অনুযায়ী φ  এর ঋণাত্মক বর্গমূল হচ্ছে,

-1/ φ = 1- φ = 1-root5 /2 = -0.618033988

সংখ্যার এই পরম মানটি বিপরীত ক্রমে দৈর্ঘ্যের
অনুপাতের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ(ক্ষুদ্র খন্ডিতাংশের উপর বৃহত খন্ডিতাংশের অনুপাত হচ্ছে b/
a) এবং মাঝে মাঝে গোল্ডেন রেশিও কনজুগেইট এর মত নির্দেশিত হয় । এর প্রতীক হচ্ছে বড় হাতের ফাই (Φ) ।

Φ = 1/ φ = 1/1.618033988......  = 0.618033988

Φ কে অন্যভাবে প্রকাশ করলে
দাড়ায়,

φ-1 = 1.681033988...... -1 = 0.618033988.. (সমাধান টি উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া)

মক্কাই হচ্ছে পৃথিবীর গোল্ডেন রেশিও পয়েন্টঃ
আমরা সবাই জানি, পৃথিবীর ভৌগলিক সময় নির্ধারণ করা হয় বিষুব রেখা এবং দাগ্রিমা
রেখাকে ভিক্তি করে । এবং কো-অরডিনেট পদ্ধতিতে ভৌগলিক উপাদানের যে বিন্দু নির্দেশিত হয় সেখানেও বিষুব রেখা এবং দাগ্রিমা রেখাকে ভিক্তি ধরা হয় । কো-অরডিনেট পদ্ধতিতে পুর্ব
দাগ্রিমাংশ +৩৯.৮২ এবং উত্ত অক্ষাংশ +২১.৪২  । যা প্রমান করে পৃথিবীর গোল্ডেনরেশিও হচ্ছে পবিত্র কাবা । ৯০+৩৯.৮২ = ১১১.৪২সুতরাং ১১১.৮২ / ১৮০= 0.৬১… এবং ১৮০+৩৯.৮২ = ২১৯.৮২ সুতরাং ২১৯.৮২/৩৬০ = ০.৬১….
অতএব, গোল্ডেন রেশিও পয়েন্ট Φ এর মান অনুযায়ী মক্কা এবং কাবাই হচ্ছে পৃথিবীর
গোল্ডেন রেশিও পয়েন্ট ।পবিত্র নগরী মক্কার নাম সমগ্র কুরআনে মাত্র একবার উল্লেখিত
হয়েছে সুরা আল-ই-ইমরান এর ছিয়ানব্বই আয়াতে । এই আয়াতে মক্কা শব্দটি উচ্চারিত
হওয়া পর্যন্ত বর্ণ সংখ্যা হচ্ছে ২৯ টি এবং সমগ্র আয়াতে রয়েছে ৪৭ টি বর্ণ । এখন আমরা যদি উক্ত আয়াতটি লিখে ফাইমেট্রিক্স (ফাইমেট্রিক্স হচ্ছে এক ধরনের সফটওয়্যার যা ধারা কোন ছবির
গোল্ডেন রেশিও পয়েন্ট মাপা হয়) ধারা পরিমাপ করি তাহলে এর মান আসবে, ২৯/৪৭ =০.৬১…. আর এটাই হচ্ছে গোল্ডেন রেশিও পয়েন্ট Φ এর মান ।এই পৃথিবী, পবিত্র নগরী, পবিত্র
গ্রন্থ সবকিছু একই নিয়মের মাঝে গঠিত হয়েছে । সুতরাং আমরা এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি
যে, সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা একজন এবং তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ ।
যদি কোন সৃষ্টিকর্তা না থাকত এবং প্রতিটা সৃষ্টি যদি তার নিজের মত করে চালিত হত তাহলে সবার মান সমান হওয়া কখনো সম্ভব হত না ।

ধন্যবাদ সবাইকে
ভালো থাকবেন আজকে এই পর্যন্তই।

বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০১৫

হ্যাকিং নিয়ে তিনটি বাংলা বই

এবার টিউন করতে যাচ্ছি
হ্যাকিং নিয়ে। প্রথমেই
বলে রাখি বইগুলো আমার
তৈরী করা নয়। তাই এর
কোন দায়-দায়িত্ব আমি
বহন করতে পারব না।
তাইলে বইগুলোতে যাওয়া
যাক.......।।
Hacking Bangla Ebook

Hackology1.0_By_p1n1x_Cr3w

Bangla Hacking Tutorial

সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০১৫

নিউরনে অনুরণ - গণিত বইয়ের রাজা


নিউরনে অনুরণন
▬▬▬▬▬▬ஜ ۩۞۩ ஜ▬▬▬▬▬▬
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা
পৃথিবীর সেরা। কিন্তু আমি যখন
দেখি তাদের সৃজনশীলতাকে
পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়ে তাদের
ঘাড়ে মোটা মোটা বই চাপিয়ে
দেওয়া হচ্ছে মুখস্থ করার জন্য, তখন
দুঃখে আমার বুকটা ভেঙে যায়।
আমি হয়তো আমার কাছাকাছি দু-
চারজনকে উৎসাহ দিতে পারি,
সাহায্য করতে পারি; কিন্তু
দেশের হাজার হাজার ছেলে-
মেয়েকে সাহায্য করবে কে? তাই
অনেক ভাবনা-চিন্তা করে আমি
আর প্রফেসর কায়কোবাদ একটা
বুদ্ধি বের করেছি। এই বইতে গণিত
বিষয়ক কিছু লেখার পাশাপাশি
মজার মজার দুইশ গাণিতিক সমস্যা
তুলে ধরা হলো। এই অঙ্কগুলোর
কোনো কোনোটা হবে সোজা,
কোনো কোনোটা হবে কঠিন,
কোনো কোনোটা হবে ইতিহাস
বিখ্যাত, কোনো কোনোটা হয়তো
হবে একেবারেই অসাধ্য! এ দেশের
ছেলে-মেয়েরা সেগুলো করতে
গিয়ে চিন্তা করতে শিখবে,
সৃজনশীলতা বাড়বে, কল্পনাশক্তির
বিকাশ হবে। তারা আবিষ্কার
করবে অঙ্ক করা যতটুকু মজার ব্যাপার,
তার থেকে একশ গুণ বেশি মজা
সেই অঙ্কটি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা
করা। সেটা করতে গিয়ে
প্রতিনিয়ত তাদের মস্তিষ্কে
নিউরনের অনুরণন হতে থাকবে। তাই
এর নাম দিয়েছি নিউরনে অনুরণন।
-- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
সূচি
* কী এবং কেন?
* মেধার বিকাশে
* রামানুজন
* সংখ্যাতত্ত্ব
* লিউনার্দ অয়লার
* পাই কেমন করে পাই
* কার্ল ফ্রেডরিক গাউস
* ধারা
* পল আরডস
* কাল্পনিক (?) সংখ্যা
* পরিশিষ্ট
নিউরনে অনুরণনঃ
ডাউনলোড লিংকঃ

নিউরনে অনুরণন

solidfiles.com যে কোন ফাইলের
অরজিনাল ডাউনলোড লিংক হচ্ছে
ফাইল নামের পাশে হালকা সবুজ
কালারের Priority Download নামক
বাটনের নিচে ...
Regular download link নামে যে লিংক
থাকে সেটাই অরজিনাল
ডাউনলোড লিঙ